‘কামিনী-কাঞ্চনে ডুবে রয়েছে জেলা সভাপতি’, এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে পদত্যাগ ১৫ জন বিজেপি কর্মীর

136

মহানগর ডেস্ক: বিজেপির অন্দরে ভাঙন ধরেছে অনেক আগেই। জেলার জেলার নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তাঁরা শাসকদলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এছাড়াও নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন স্তরের গেরুয়া শিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে। এবার কামিনী-কাঞ্চনে ডুবে থাকার অভিযোগ উঠল বারাসাতের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে।

মূলত একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপির ভরাডুবির ফলে বর্ষীয়ান গেরুয়া শিবিরের নেতা তথাগত রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, বঙ্গ নেতাদের কামিনী-কাঞ্চন ডুবে থাকার জন্যই এমন পরিণাম অর্থাৎ নানা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নেতারা, তার জন্যই নির্বাচন গণহার হয়েছিল কেন্দ্রীয় দলের। এবার এই কামিনী-কাঞ্চনে ডুবে থাকার অভিযোগ উঠল বারাসত জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে।

এমন পরিস্থিতি পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক মাস, এবার বারাসতে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য শ্যামল রায় মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা সাংবাদিক বৈঠক করে ইস্তফা দেন। সেখানে দেখা যায়, প্রাক্তন জেলা সভাপতি সহ বারাসত জেলা কমিটির ১৫ জন সদস্য নিজেদের পদত্যাগ করেছেন। তাঁরা নিজেদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতির সুকান্ত মজুমদারের কাছে। তাঁদের এই পদত্যাগের কারণ হল, জেলা সভাপতি তাপস মিত্র।

জেলা সভাপতি তাপস মিত্রের বিরুদ্ধে দলীয় অন্যান্য সদস্যদের অভিযোগ, তিনি অত্যন্ত দুর্নীতি পরায়ন। বয়স্ক দীর্ঘদিনের সদস্যদের সম্মান করেন না তিনি। পুরভোটে তিনি টাকার বিনিময় নির্বাচনের প্রার্থী করেছিলেন। শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলছেন। তাই বারাসত জেলার অন্যান্য পদের সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তাঁরা ইতিমধ্যেই দল ছাড়ছেন না। তাঁরা দলের সঙ্গেই যুক্ত থাকবেন।

যার বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ তিনি জানান, আমি যেদিন থেকে এই পদ পেয়েছি তারপর থেকেই দলের বেশ কিছু সদস্যরা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। বরং যারা এই অভিযোগ তুলেছেন, তাঁরা নিজেরাই শাসক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে। আমি সমস্ত বিষয়টাই সুকান্ত বাবুকে জানিয়েছি উনি এবার সিদ্ধান্ত নেবেন।