জ্বলে উঠল ক্ষোভের আগুন, নির্দল হিসেবে লড়ার সিদ্ধান্ত ২ বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের!

13

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধিকিধিকি করে জ্বলা ক্ষোভের আগুন এবার জ্বলে উঠল দাউ দাউ করে! প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে ধূমায়িত হচ্ছিল ক্ষোভ। এবার সেটাই জ্বলে উঠল দাউ দাউ করে।  শিলিগুড়িতে নির্দল হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন দুই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা বিকাশ সরকার ও নিখিল সাহানি। শনিবার দুজনেই তুলেছেন মনোনয়নপত্র।

চলতি মাসের ২২ তারিখে শিলিগুড়ি সহ রাজ্যের ৪ পুরসভার ভোট। শিলিগুড়ি ছাড়া বাকি তিনটি পুরসভা হল আসানসোল, চন্দননগর এবং বিধাননগর। এর মধ্যে শিলিগুড়ি পুরসভায় প্রার্থী তালিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দানা বেঁধেছে তৃণমূলের অন্দরে। কারণ টিকিট পাননি তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সরকার। টিকিট পাননি শিলিগুড়ি পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা ৪ নম্বর বোরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান নিখিল। ঘটনায় ক্ষোভ দানা বাঁধছে  বিকাশ ও নিখিলের অনুগামীদের মধ্যে। তার জেরে ২৪ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলেছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, মানুষের আবেগকে সম্মান জানিয়েই এই পদক্ষেপ করছেন তাঁরা।

বিকাশ বলেন, আমি কোনওদিনই দল বিরোধী কাজ করিনি। দলের জন্য সময় দিয়েও টিকিট পাইনি। এলাকাবাসী আমাকে নির্দল হিসাবে লড়াইয়ে নামার জন্য অনুরোধ করেছেন। তাই নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন তুলেছি। বাকিটা দল বিবেচনা করুক।

নিখিল বলেন, আমাকে প্রার্থী করা হবে কিনা, সেটা দল এখনও বিবেচনা করে দেখছে। বহিরাগত ও দুবারের পরাজিত এক ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে চাইছেন না এলাকার মানুষ। হাতে বেশি সময় নেই। তাই মনোনয়নপত্র তুলে রাখলাম। এলাকাবাসী যা চান, সেটাই হবে। তাঁরা চাইলে আমি নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করব। ঘটনার জেরে যারপরনাই অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে ওই দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন কিনা, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।