১ মাসের মধ্যেই করোনাটিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে ৬ কোটি কিশোর-কিশোরী, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

28

মহানগর ডেস্ক: দিন দিন কমছে করোনা সংক্রমনের মাত্রা। কমছে পজিটিভিটি রেটও। পাশাপাশি জোর গতিতে এগোচ্ছে করোনা টিকাকরণ। চলতি বছরে শুরু হয়েছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাদান। পাশাপাশি নজর দেওয়া হচ্ছে ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার ও ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ দেওয়াতে। ইতিমধ্যে জানা গেছে প্রায় ৬ কোটির কাছাকাছি করোনার প্রথম পেয়েছে কিশোর-কিশোরীরা।

মঙ্গলবার দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাদানের কর্মসূচি ইতিমধ্যেই ৬ কোটি পার করেছে। এমনিতেই তা শুরু হওয়ার তিনদিনের মধ্যে দেশের এক কোটির বেশি নাবালক-নাবালিকা করোনা টিকা নিয়েছিল। এরপর একমাস পূরণ হতে না হতেই দেখা যাচ্ছে প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছে করোনাটিকার প্রথম ডোজ। যে কারণে আন্দাজ করা যায় প্রাপ্তবয়স্কদের থেকেও বেশি সফল হতে চলেছে ছোটদের টিকাকরণ কর্মসূচি।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী জানা যা,চ্ছে দেশের প্রায় সাড়ে ৭ কোটি নাগরিক রয়েছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী। যার মধ্যে ৬ কোটি করোনার প্রথম ডোজ পেয়ে গিয়েছে। এদিন এই সাফল্যের কথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী টুইটারে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি লেখেন, “দেশের যুব শক্তিকে অভিনন্দন। পাঁচ কোটিরও বেশি কিশোর-কিশোরীকে করোনার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। যুব ভারত পূর্ণ শক্তির সঙ্গে এই অতিমারির বিরুদ্ধে লড়ছে”। পাশাপাশি এদিন এই কথার নিচে হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনি লিখেছেন, সাবকো ভ্যাকসিন মুফত ভ্যাকসিন।

এদিন এই সুখবরের পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন যে, টিকাকরণ কর্মসূচিটি বিনামূল্যে করা হয়েছে। অন্যদিকে যেখানে প্রথম দিনে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের প্রায় ৪২ লক্ষ নাগরিক করোনাটিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে, সেখানে খবর মিলেছে অনেকটাই ধীরগতিতে চলছে টিকাকরণের দ্বিতীয় ডোজের কর্মসূচি। কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময় লেগে গিয়েছে ৪২ লক্ষ্যের গণ্ডি পার করতে।

এদিকে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথমসারির করোনা যোদ্ধাদের গত বছরের শুরুর দিকে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে ষাটোর্ধ্বদেরও গত বছরের মার্চ থেকে টিকাকরণ শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি সবথেকে বেশি সাফল্য এনে দিয়েছে। পাশাপাশি জারি রয়েছে বুস্টার ডোজও। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মাত্রা বেশ অনেকটাই কমেছে। যাতে কিছুটা চিন্তামুক্ত হয়েছে চিকিৎসামহল। জারি রয়েছে টিকাকরণ এবং নজরদারি রয়েছে মাস্ক-স্যানিটাইজার ব্যবহারে। সব মিলিয়ে সবদিক থেকে করোনাকে নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা করছে সরকার।