প্রত্যাহৃত ৩ ‘বিতর্কিত’ কৃষি আইন, অক্সিজেন পাচ্ছে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি!

22

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রত্যাহৃত হয়েছে তিন বিতর্কিত কৃষি আইন। তাতে স্বাক্ষরও করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। স্বাভাবিকভাবেই অক্সিজেন পেয়েছেন গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকারীরা। পাকদণ্ডী বেয়ে ফের কি একবার অশান্তির আগুন উঠবে পাহাড়ের টংয়ে? উঠছে প্রশ্ন।

ফের পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি! এই দাবিতে দিল্লিতে ধর্না দিতে চলেছেন গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকারীদের একাংশ।  তাঁদের দাবি, অবিলম্বে গোর্খাল্যান্ডকে পৃথক রাজ্য ঘোষণা করতে হবে। এবং সেটা করতে হবে ’২৪এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই। তাঁদের বক্তব্য, দেশের সামনেই গোর্খাল্যান্ডের দাবি তুলে ধরা হবে। এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি। সব পক্ষ থেকে আশ্বাসই সার। তাই এবার ধর্না চলবে বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংগঠনের তরফে। ঘটনায় ফের একবার পাহাড় উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

এদিকে, জিটিএ ভোট নিয়ে সরব হয়েছেন সাংসদ দার্জিলিংয়ের রাজু বিস্ত। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পরেই জিটিএ গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর দীর্ঘদিন আর ভোট হয়নি। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। রাজু বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন বাতিল করে দেওয়া উচিত। আর এ বিষয়ে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করা উচিত কেন্দ্রের। রাজুর দাবির জোরালো প্রতিবাদ করেন সংসদে উপস্থিত তৃণমূল সাংসদেরা।

বর্তমানে পাহাড়ে রাজনীতির দুটি ধারা। একটি নিয়ন্ত্রক মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। অন্যটির রাশ অনীত থাপার হাতে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাহাড়ে ফিরে এসেছেন গুরুং। প্রকাশ্যে ঘুরেও বেড়াচ্ছেন। তার মধ্যেই পৃথক গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের দাবিতে সরব হয়েছেন আন্দোলনকারীরা।