বগটুইতে অধীর চৌধুরী, বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাল বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

25

মহানগর ডেস্ক: গোটা দেশজুড়ে বীরভূমের বকটুয়ের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উপপ্রধান খুন এবং ১০টি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড লাগায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। আঙ্গুল উঠেছে বাংলার শাসক দল তৃণমূলের দিকে। এদিকে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। পথে বসে প্রতিবাদের পর ওই গ্রামে পৌঁছান অধীর চৌধুরীও। পুলিশি প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার গ্রামে যাওয়ার কথা ছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের। আজ ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু পৌছাতে গিয়ে অনেক বাঁধার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে, দাবি তাদের।

রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে ভারতী ঘোষ সহ মোট পাঁচজন ওই গ্রামে পৌঁছান। কিন্তু গ্রামে যাওয়ার পথে তাদেরকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সাঁইথিয়ার রাস্তায় লরি খারাপ হয়ে যায়। তারপরে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এটি যান্ত্রিক গোলযোগ নয়। এই ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই করা। যদিও শেষে বাঁধা পেরিয়ে নির্ধারিত সময়ের বহুক্ষণ পর ওই গ্রামে পৌঁছায় তারা। কথা বলেছেন স্বজনহারাদের সঙ্গে।

রামপুরহাটের এই মর্মান্তিক ঘটনায় গা শিউরে উঠেছে সকলের। এদিকে বগটুইয়ে গিয়ে এদিন অধীর চৌধুরী কথা বলেছেন সকলের সঙ্গে। কিন্তু ওই গ্রামে যাওয়ার আগে শ্রীনিকেতনের পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। ৯০ কিলোমিটার দূরে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বগটুই গ্রাম। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন।জানান, “যত রাতই হোক বগটুই যাব”। এরইসঙ্গে এই বিষয়টি লোসভায় উত্থাপন করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে আটকানো হয়েছে। যদিও বা মুখ্যমন্ত্রী গ্রাম ছেড়ে চলে আসার পর, বগটুইতে পৌঁছেছেন অধীর চৌধুরী।