Afghanistan Crisis: আমেরিকার জোরালো প্রত্যাঘাত, মৃত Hamid Karzai বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের মুলচক্রী

41
Afghanistan Crisis
আমেরিকার জোরালো প্রত্যাঘাত, মৃত Hamid Karzai বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের মুলচক্রী

মহানগর ডেস্ক: রক্তস্নাত আফগানিস্তান। গোটা দেশ তালিবানি জঙ্গি গোষ্ঠীর সন্ত্রাসে ত্রস্ত। তালিবানি উগ্রপন্থীরা কবলে আফগানিস্তান চলে যাওয়ার পর থেকেই তাদের তাণ্ডবে আফগানিস্তান নাগরিকরা ভীত এবং সন্ত্রস্ত। ফলে দেশ ছেড়ে পালাতে মরিয়া আফগান নাগরিক সহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও। কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দর ভিড়ে ঠাসা। এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় আইএস- কে জঙ্গি সংগঠন। বিস্ফোরণে প্রাণ হারান প্রায় শতাধিক মানুষ এবং ১৩ জন মার্কিন সেনা।

হামলার ঘটনার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাঘাত করবে এবং তাদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেবে। এবং কিছুদিন আগে তালিবানি গোষ্ঠী বাইডেনকে ৩১ আগস্টের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করতে বলে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাজি হন।

কাবুল হামিদ কারজাই বিমানবন্দরে হওয়া বোমা বিস্ফোরণের পরে বাইডেনের দেওয়া কথা মতোই শনিবার আফগানিস্তান – পাকিস্তান সীমান্তে নানগহর প্রদেশে আইএস – কে জঙ্গি সংগঠনের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় মার্কিন সেনা। পেন্টাগনের দাবি, এই হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আইএস – কে ঘাঁটি এবং কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরে ঘটানো বিস্ফোরণের মূলচক্রী এবং সহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার কাবুলে জঙ্গি বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে আইএস – কে। শনিবার হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, ” পরিস্থিতি ক্রমশ বিপজ্জনক দিকে চলে যাচ্ছে এবং এমনকি বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। কমান্ডাররা জানিয়েছিলেন আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আক্রমণের চরম সতর্কতা রয়েছে। ” ফের আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের আশঙ্কার জেরে সব দেশের নাগরিকদের কাবুল হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের ফটকের সামনে থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Afghanistan Crisis

 

Read More Links: