ফিরছে সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি, দিল্লিতে লকডাউন ঘোষণা হতেই বাড়ির উদ্দেশে পরিযায়ী শ্রমিকরা

9
migrants labour
লকডাউন ঘোষণার পরেই দিল্লির বাসস্ট্যান্ডে পরিযায়ী শ্রমিকরা

মহানগর ডেস্ক: দেশের  করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল দেশ। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। তবে রাজধানী দিল্লিতেও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে ছয়দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আর তার জেরেই দিল্লি থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজের রাজ্যে ফিরতে শুরু করেছে। তার সঙ্গে ফিরতে শুরু করেছে গত বছর মার্চের শেষের দিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশার ছবি।

সোমবার কেজরিওয়ালের লকডাউন ঘোষণার পরেই দিল্লির আনন্দ বিহার বাসস্ট্যান্ডে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড় দেখতে পাওয়া যায়। সেই ভিড়ে স্বাভাবিকভাবেই কোভিড বিধি মেনে চলা সম্ভব হয় না। শুধু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে বেড়ে গিয়েছে বাসের ভাড়া। সংবাদসংস্থাকে এক পরিযায়ী শ্রমিক জানিয়েছেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর লকডাউনের জন্য সময় দেওয়া উচিৎ ছিল। এই পরিস্থিতি বাসের ভাড়াও বেড়ে গিয়েছে। যেখানে আগে ২০০ টাকার মধ্যে বাড়ি চলে যেতাম, এখন তিন থেকে চার হাজার টাকা ভাড়া চাইছে। এখন ওতো টাকা পাব কোথায়।

গাজিয়াবাদ সীমান্তেও পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড় দেখা গিয়েছে। গাজিয়াবাদ সীমান্তে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা জানিয়েছেন,  লকডাউনে কাজ থাকে না। এই সময় সরকারও সাহায্য করে না। তাউ বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। আপাতত দিল্লি সরকার ছয়দিনের লকডাউনের ঘোষণা করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে লকডাউন আরও বাড়ানো হবে। আর লকডাউন আরও বাড়ানো হলে, পরিয়ায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা আরও বাড়বে।  এর আগে মহারাষ্ট্র সরকার লকডাউন ঘোষনা করেছিল সপ্তান্তে। এর জেরে মুম্বই ছেড়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।