‘নীলগিরি পাহাড়ের গাছে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ে বায়ুসেনার কপ্টারটি’, দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের

36

মহানগর ডেস্ক: বায়ুসেনার অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও নবীনতম কপ্টার হল M17-v5। যাতে করে ভারতীয় ভিভিআইপি ক্যাটাগরির ব্যক্তিরা যাতায়াত করেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্যবহারযোগ্য এই কপ্টারটি কীভাবেই বা এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সম্মুখীন হয়? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। যান্ত্রিক ত্রুটি? নাকি মন্দ আবহাওয়া? কি কারণে এমন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের।

ইতিমধ্যেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর দন্তন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা ও পুলিশের তদন্তকারীরা। সেখানে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আছড়ে পড়ার আগেই তাতে আগুন ধরে যায় কপ্টারে। মূলত তামিলনাড়ু ও কর্ণাটক সীমানায় নীলগিরি পাহাড়ের গাছে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ে বায়ুসেনার এই উড়ানটি। আর ভেঙে পড়ার সময় অগ্নিকাণ্ডটি ছিল মারাত্মক। মাটি থেকে প্রায় ২০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল আগুনের লেলিহান শিখা। যদিও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে ঘটনাস্থলে মৃতদেহ উদ্ধারের পর। এক একজনের দেহ এতটাই আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল, যে তাঁদের দেহ শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত করতে হয়েছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তকারী অফিসাররা ব্ল্যাক বক্সের খোঁজ চালাচ্ছেন। খতিয়ে তাঁরা দেখছেন কারণ। যদিও ভারতীয় বায়ুসেনার তরফ থেকে টুইট করে দেশবাসীকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এই ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখার। তাছাড়া আরও প্রশ্ন উঠছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এই যান কিভাবেই বা ভেঙে পড়তে পারে? কেনই বা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে এমন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছিল? যদিও সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে তদন্তের প্রকাশিত রিপোর্ট।