Aligarh: অগ্নি-হিংসার ইন্ধন জোগাচ্ছে কোচিং ক্লাস, গ্রেফতার ১১টি ট্রেনিং সেন্টারের মালিক

67

মহানগর ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতা গোটা দেশজুড়ে দেখা গিয়েছিল প্রতিবাদ। তাতে অংশগ্রহণ করেছে যুব সম্প্রদায়। তাদের দাবি, ইচ্ছা করে এমন প্রকল্প এনে বাহিনীর কর্মীদের ক্ষতি করতে চাইছে বিজেপি সরকার। আর এই হিংসার ঘটনার তদন্তে এবার সামনে এল কোচিং সেন্টারগুলি (coaching centres) । যেখানে সেনাবাহিনীর পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি দেওয়া হয়। পুলিশের অনুমান, কোচিং সেন্টারগুলি থেকেই দেশজুড়ে দাঙ্গার ইন্ধন জোগানো হচ্ছে। আর তার জেরেই আলিগড়ের (Aligarh) একাধিক কোচিং সেন্টারের ঝাঁপ বন্ধ করিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: বড় খবর, জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা

ইতিমধ্যেই অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে হিংসার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ৭৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৬৮ জনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে ১১ জন হলেন সেনাবাহিনীর পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি দেওয়া কোচিং সেন্টারের মালিক। আলিনগরের সবচেয়ে বড় কোচিং সেন্টার ‘ইয়ং ইন্ডিয়া’। যা পরিচালন করেন সুধীর শর্মা নামক এক ব্যাক্তি। হিংসা ছড়ানোর জন্য উস্কানি দেওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হরিন্দর সিং নামক এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক জানান, ‘জেলার সব কোচিং সেন্টারগুলি এখন বন্ধ। এইগুলিতে নাম লেখানো ছাত্রদের বেশিরভাগই কাঁসেরা, জিকরপুর, জাহানগড় এবং হেতালপুর গ্রামের বাসিন্দা। কারণ ওই গ্রামগুলির অনেক ছেলে সেনাবাহিনীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

এছাড়াও পুলিশের তরফ থেকে তৈরি করা হয়েছে একটি তদন্তকারী দল। যা জেলার মধ্যে চলা বিভিন্ন গুপ্ত কোচিং সেন্টারগুলোর খোঁজ করার জন্য কাজে নেমেছে। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এর মাধ্যমে ওই কোচিং সেন্টারগুলো তরফ থেকে এই হিংসার বার্তা দেওয়া হচ্ছিল। আর সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই পুলিশ জানতে পেরেছে বেশকিছু স্টেশনে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। জোগাড় করা হচ্ছিল আগ্নেয় অস্ত্র সামগ্রী।

আলিগড়ের এক কোচিং সেন্টারের মালিক বলেন, ‘আমার এই রকম প্রায় আটটি কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি সবই ১৭ জুন থেকে বন্ধ রয়েছে৷ কবে আবার খুলতে পারব, তা নিয়ে কোন নিশ্চয়তা নেই৷’