অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ, অভিজ্ঞদের সঙ্গে রয়েছে তরুণের মিশ্রণ

45

মহানগর ডেস্ক: আজ সোমবার অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন মন্ত্রিসভার লোকজনদের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান ছিল অমরাবতীতে। একদিকে কিছুদিন আগেই ২৪ জন মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডির কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। অন্যদিকে আজ তার কয়েক দিন পরই রাজ্যপাল বিশ্বভূষণ হরিচন্দন রাজধানী শহর অমরাবতীতে রাজ্য সচিবালয়ের কাছে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার ২৫ জন সদস্যকে শপথ পড়ান।

নতুন মন্ত্রিসভায় সিএম রেড্ডি ১৩ জন নতুন মুখকে এনেছেন এবং আগের দল থেকে ১১ জনকে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। পাশাপাশি প্রবীণ বিধায়ক ধর্মানা প্রসাদ রাওকে নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভায়। তাকে সবচেয়ে সিনিয়র মন্ত্রীর জায়গা দেওয়া হয়েছে। এদিন মন্ত্রিপরিষদের প্রস্তাবিত পুনর্গঠনের আগে বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রীরা। অন্ধপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। এদিন যে নয়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে তাতে, রাজ্যে সুশাসনের জন্য সিনিয়র ও অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন অর্থাৎ তরুণ মুখের মিশ্রণ রয়েছে। আজ ১১টা ৩১মিনিটে শপথ নেন তাঁরা।

জাতি এবং সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়েছে। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী সহ দু’জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, পাঁচজন তপশিলি জাতি ও একজন তপশিলি উপজাতির রয়েছেন। পাশাপাশি রয়েছেন নারী সদস্যও। এদিকে কম্ম, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য সম্প্রদায়ের যে একজন করে প্রতিনিধি আগের মন্ত্রিসভায় ছিলেন, এখন সম্পূর্ণভাবে তারা বাদ পড়েছেন।

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় আবারও মন্ত্রিসভায় স্থান নিতে অস্বীকার করেছেন। কিন্তু ২০২৪-এর অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বলা হচ্ছে মন্ত্রিসভায় এই রদবদলের একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ২০১৯ সালের ৩০ মে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদ গ্রহণের সময় একটি ঘোষণা করেছিলেন রেড্ডি। তিনি আড়াই বছর পরে তাঁর মন্ত্রিসভার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করবেন এবং একটি নতুন দল নেবেন বলে জানিয়েছিলেন। পূর্ববর্তী মন্ত্রিসভা ২০১৯-এর ৮ জুন শপথ গ্রহণ করেছিল এবং ৮ ডিসেম্বর ২০২১পর্যন্ত তাদের অফিসে থাকার কথা ছিল। মার্চেই রেড্ডি জানিয়েছিলেন যে, তিনি উগাদি এবং পরবর্তীতে নতুন জেলা গঠনের পরে মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন করবেন।