‘টিকা না থাকলে দুটো ডোজের মধ্যে ব্যবধান তো বাড়াতেই হবে’, মত হোয়াইট হাউসের স্বাস্থ্য উপদেষ্টার

15

মহানগর ডেস্ক:  একদিন আগেই কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটি দাবি করেছে, কোভিশিল্ডের সব থেকে বেশি উপকারিতা পাওয়া যায় প্রথম ডোজের ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিলে। তবে এই বিষয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। দেশে করোনা ভ্যাকসিন নেই বলেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কার্যত সেই ধরনের মন্তব্য করলেন হোয়াইট হাউসের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফসি। তিনি জানিয়েছেন, দেশের কাছে পর্যাপ্ত করোনার টিকা না থাকলে দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফসি জানিয়েছেন, ভারতের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে দ্রুত অন্য উপায় বের করতে হবে। দ্রুত দেশের মানুষের টিকা করণের শেষ করতে হবে। কিন্তু যখন টিকাই নেই, তখন দুটো ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানো ছাড়া আর কী উপায় রয়েছে। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ভারতের এই পরিস্থিতি দুটো ডোজের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি করা যুক্তি সম্মত। এরফলে দেশের মানুষ অন্তত একটি ডোজ হলেও করোনার টিকা পাবেন।

ফসি জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটা মানুষের জন্য টিকা উৎপাদন করার ক্ষমতা ভারতের রয়েছে। তবে ভারতীয় সংস্থাগুলোকে উপযুক্ত পথে চালিত করতে হবে। তিনি মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতকে বাইরের বড় বড় সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রচুর পরিমাণে করোনার টিকা উৎপাদন করতে হবে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদন কেন্দ্র। ভারতের প্রতিটি নাগরিক করোনার টিকা পাবেন বলেই তিনি মনে করছেন।

দেশে ১৬ জানুয়ারি থেকে করোনার টিকা করণ শুরু হয়েছে।তবে টিকার ঘাটতির জন্য টিকাকরণ কোথাও কোথাও স্থগিত রয়েছে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ করোনার টিকা পাবেন বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হলেও সেই কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এখনও চালু করা যায়নি।