‘অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি পরিযায়ী পাখি’, মন্তব্য নভজ্যোত সিং সিধুর

11

মহানগর ডেস্ক: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন উত্তর প্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যে। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। এরইমধ্যে জারি রয়েছে একদল থেকে আরেক দলের যাওয়ার হিড়িক। এদিকে পঞ্জাবের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির মধ্যে যুদ্ধ তীব্র হচ্ছে। এদিন পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান নভজ্যোত সিং সিধু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে উপহাস করলেন।

এমনিতেই রাজনৈতিক মঞ্চে একদল অন্য দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেই থাকে। এদিকে সামনে নির্বাচন। যে কারণে এই ব্যাপারটা একটু বেশিই বেড়ে গিয়েছে। ভোট সামনে এলেই এক দলের নেতা অন্য দলের নেতাকে নিয়ে উপহাস বা মন্তব্য করতে ছাড়েন না। সোমবার দিন কেজরিওয়ালকে উদ্দেশ্য করে সিধু বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি পরিযায়ী পাখি যা বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে মানুষকে জাল প্রতিশ্রুতি দিয়ে আকৃষ্ট করছে, জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে আসার জন্য”।

মূলত পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান সিধঙর মতে, আপ মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে পাঞ্জাবের জনগণকে। আর এই নিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি। পঞ্জাবের জন্য কোনও রোড ম্যাপ নেই কেজরিওয়ালের কাছে। নভজ্যোত সিং সিধুর মতে, দিল্লি থেকে পুরো বিষয়টা কন্ট্রোল করতে চাইছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির মন্ত্রিসভায় পঞ্জাব সম্প্রদায়ের একজন সদস্য না থাকার জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছেন তিনি।

তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কীভাবে পঞ্জাবের জন্য তিনি ভালো ভাবতে পারেন? যেখানে তাঁর মন্ত্রিসভায় একজন সদস্যও পঞ্জাবি সম্প্রদায়ের নয়। পাশাপাশি আপ সরকারের “জনতা চুনেগি আপনা সিএম” ড্রাইভকে একটা নাটক বলে মনে করছেন সিধু। এদিন তিনি বলেন, “এটি ভগবন্ত মানকে বোকা বানানোর একটি নাটক। আমার পুরনো বন্ধু মান যে আমাকে গুরু বলে ডাকে তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। দিল্লিতে কেজরিওয়াল এমন জনসাধারণের পরামর্শ নেন নি এবং মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে সময় নষ্ট করেন নি”।

এদিকে যেখানে পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান নভজ্যোত সিংহ সিধু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিয়ে নিন্দা করছেন, সেখানে কেজরিওয়াল পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারকে ‘দুর্বল’ বলে মন্তব্য করেছেন। সাম্প্রতিক ধর্মাবলম্বী এবং বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কেজরিওয়াল। এদিকে পিছিয়ে গিয়েছে পঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ। ১১৭ টি আসনের ভোটগ্রহণ হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। গণনা হবে ১০ মার্চ। এদিনই বোঝা যাবে, জনতা কী চায়!