মেডিকেল ইস্যুতে উত্তাল বিধানসভা

198

ডেস্ক: বিধানসভায় মেডিকেল কলেজের ইস্যুতে হট্টোগোল। মেডিকেল কলেজের দীর্ঘ ১৪ দিনের অনশন প্রসঙ্গে বিধানসভা ওয়াক আউট বাম ও কংগ্রেস বিধায়কের। বিধানসভার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বাম নেতারা। বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হয়েছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। ছাত্রছাত্রীদের বাধ্য হয়ে অনশনের পথ বেছে নিতে হয়েছে। একটানা ১৪ দিন ধরে অনশন চালিয়েছে ছাত্ররা হোস্টেলের দাবিতে। এটা ভর্তিকে কেন্দ্র করেও যে একটা বিকল্প জিবীকা সৃষ্টি করা যায়, বেআইনী সম্পদ সৃষ্টি করা যায় তা রজ্যের মানুষ এই সরকারের জামানায় দেখছে। যেখানে ৫০ হাজার সিট কলেজে এখনও পড়ে আছে তাও ছেলেমেয়েরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্রছাত্রীদের স্বাধিকার রক্ষার জন্য শেষ পর্যন্ত ১৪ দিন ধরে অনশন করতে হয়েছে। দুদিন আগে নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিল শেষ পর্যন্ত তাই করতে হল। তাহলে মাঝখানে কেন ছাত্রছাত্রীদের প্রতীকি অনশন করে কলেজের অধিকারকে খর্ব করার ব্যবস্থা সরকারি বাহিনী করল? বিধানসভার মধ্যে আজকে রাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতি দিয়ে বলেছে ছাত্ররা প্রতিকী অনশন করেছে। দীর্ঘ ১৪ দিন ধরে ছাত্রগুলো না খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি, বাড়িতে তাদের মা বাবার ঘুম নেই, এদিকে সরকার তাদের আন্দোলনকে ব্যঙ্গ করছেন। প্রেসিডেন্সি কাউন্সিল মিটংয়ে ১৪ দিনের সমস্যা টাকে যখন ১ ঘণ্টায় সমাধান করতে পারল তাহলে কেন এতদিন ধরে এটাকে ঝুলিয়ে রাখল? প্রশ্ন সুজন চক্রবর্তীর।

যাদবপুরের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, সেখানেও ছাত্রছাত্রীদের একই অবস্থা। সরকারি হস্তক্ষেপ চালাচ্ছে শিক্ষাক্ষেত্রে। যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। তিনি বলেছেন অচিরেই সরকার ছাত্রদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিক। সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, প্রেসিডেন্সি, যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বনাশ করছে মুখ্যমন্ত্রী। সেই সর্বনাশ থেকে বাঁচানোর জন্যই এই অভিযান বামেদের। এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের ফলে গ্রেফতার হয়েছেন প্রসেনজিত বোস, দেবর্ষি আজাদ, সৌভিক, সায়ন ব্যানার্জী ও রিতম দাস।