আগরতলার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিআইএমের ক্যাম্পে ভাঙচুরের অভিযোগ, ক্ষোভ প্রকাশ বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের

5
আগরতলার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিআইএমের ক্যাম্পে ভাঙচুরের অভিযোগ, ক্ষোভ প্রকাশ বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের

মহানগর ডেস্ক: ত্রিপুরার অশান্ত রাজনৈতিক আবহেই বুধবার শুরু হয়েছে পুরভোট। রাজ্যের আগরতলা সহ ১৩ টি পুরসভা এবং ৬ টি নগর পঞ্চায়েত এবং একটি পুরনিগমে হচ্ছে নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে মোট ৩৩৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২২টিতে । সকাল সাতটা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ। কিন্তু ভোট চলাকালীনই আগরতলার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিআইএমের ক্যাম্পে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল।

সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ বামেদের ক্যাম্পে দুষ্কৃতীদের ভাঙচুরের খবর পেয়েই ক্যাম্প পরিদর্শন যান ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,’ খুবই নিন্দাজনক ঘটনা। বহিরাগতরা ঘুরছে দেখছি। বিরোধীদের সঙ্গে এমন কুআচরণ খুবই নিন্দনীয়। ভোটটা শান্তিতে হওয়া দরকার।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুধবার সকাল থেকেই গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠিয়েছে বিরোধী পক্ষরা। এমনকি ইভিএম মেশিন কারচুপি নিয়েও পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন ঘাসফুল শিবিরের নেতানেত্রীরা। তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট মনোজ চক্রবর্তীকে মাথায় আঘাত করা হয়েছে এবং আরেক পোলিং এজেন্ট কৃষ্ণ মজুমদারকেও হামলার শিকার হতে হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ ২১ নম্বর ওয়ার্ড এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী লিটন দেব এবং শ্যামল পালও আক্রান্ত হন দুষ্কৃতীদের হামলায়।

এরপরই ত্রিপুরা রাজ্যের পুরসভা নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয় যেন প্রত্যেকটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো থাকে এবং সমস্ত কেন্দ্রে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকে। এছাড়াও জানান হয়েছে যেন সাংবাদিকদের বুথে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।