অব্যাহত দিলীপ-বাবুল দ্বন্দ্ব, ‘আলটপকা মন্তব্যই বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির কারণ’,মন্তব্য বাবুলের

24

মহানগর ডেস্ক: দিলীপ-বাবুল সম্পর্ক সর্বজন বিদিত। রাজ্য রাজনীতির এই দুই শক্তিশালী নেতার বিরোধ একাধিকবার প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এবার তারা উভয়ই বিরোধী কক্ষে। পদ্ম শিবিরে থাকাকালীন তাদের মত বিরোধ ছিলই। স্বভাবতই সদ্য ঘাসফুলে নাম লেখানো বাবুলের নিশানায় এখন দিলীপ ঘোষ যে বারবার আসবে তা আরও স্পষ্ট। ১৮ সেপ্টেম্বর পদ্মফুল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেন বাবুল সুপ্রিয়। তারপর থেকেই রাজ্য রাজনীতি জুড়ে একাধিক চাপানোতর। বাবুল সুপ্রিয় বলেন, রাজনীতির লোকেদের দলে নিতে আপত্তি নেই। কিন্তু আমি জানতেই পারছি না, ” দিলীপ দা আসানসোলে গিয়ে কয়লা মাফিয়াদের দলে নিচ্ছেন। প্রকাশ্যে তার বিরোধীতা করেছি। এখন কোথায় তারা? ”

রাজনৈতিক কারণে দিলীপ ঘোষকে সম্মান করলেও, তাঁর অহেতুক বক্তব্য কে কখনওই মেনে নিতে যে তিনি পারেন নি তা স্পষ্ট বাবুল সুপ্রিয়র কথায়। এমনকি তিনি আরও বলেন, দিলীপ ঘোষের অহেতুক বক্তব্যের কারণেই বাংলায় বিজেপির এই ভরাডুবি। তাঁর এই অহেতুক ভাষাবোধের কারণে সকলকেই হেনস্তা হতে হয়। এক সময় তিনি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্য বলেছিলেন, তাঁকে বারমুডা পরতে। এই জাতীয় মন্তব্য কখনওই মেনে নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

পাশাপাশি, ২১ য়ে বিজেপির বাংলায় ভরাডুবির পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভায় বেশ কিছু রদ বদল হয়। এক সময় আসানসোলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, পার্লামেন্টমে মুঝে বাবুল চাহিয়ে। আসানসোলবাসীও তাঁর কথা রেখে ছিলেন। কিন্তু চলতি বছর রদবদলের পর মন্ত্রীসভা থেকে বাদ পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। সেই সময় তাঁকে কটাক্ষ করে একাধিক মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। সেই প্রসঙ্গে এদিন বাবুল বলেন, একটা লোক প্রতিদিন কিছু না কিছু বিষয় নিয়ে পেনাল্টি বক্সে ফাউল করবেন তা তো মেনে নেওয়া যায় না।

এদিকে দিলীপ বাবুও এক হাত নিলেন বাবুলকে। রবিবাসরীয় সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বাবুলের উদ্দেশ্যে তিনি “রাজনীতির বর্ণপরিচয়” পড়ার পরামর্শ দেন। তাই ফুল বদল হলেও তাদের মতভেদ নিয়ে এখনও তোলপাড় রাজ্যরানীতি।