Uddhav Thackeray: ‘বিরোধীদের গালে সপাটে চড় কষিয়েছে বালাসাহেব ঠাকরের ছেলে’, ক্ষমতার মোহ ছেড়ে হিরো উদ্ধব

145
Uddhav Thackeray: 'বিরোধীদের গালে সপাটে চর কষিয়েছে বালাসাহেব ঠাকরের ছেলে', ক্ষমতার মোহ ছেড়ে হিরো উদ্বব

মহানগর ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) এমভিএ সরকারের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এদিকে সরকারি বাসভবন ছেড়ে মাতোশ্রীতে রয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। গতকাল সন্ধ্যায় শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এবং তারপরেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। বুধবার একটি ফেসবুক লাইভ করেছিলেন। যেখানে আবেগপ্রবণ হয়ে তিনি বলেছিলেন, শিবসেনার বিধায়করা বললে মুখ্যমন্ত্রী ও শিবসেনা প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অসমের গুয়াহাটিতে বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে ও অন্যান্য বিধায়কের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের আরও তিন বিধায়ক।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনে উত্তাল মারাঠা রাজনীতি। বুধবার শিবসেনা সাংসদের বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন উদ্ধব ঠাকরে। বেলা গড়াতেই তাতে সম্মতি জানিয়ে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও। কিন্তু পরবর্তীতে ইস্তফা না দিয়ে, বাসভবন ফাঁকা করে দিয়েছেন তিনি। এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই তাঁর প্রশংসা করেছেন এআইএমআইএম সাংসদ ইমতিয়াজ জলিল। তাঁকে যদিওবা শিবসেনার বিরোধী বলেই মনে করা হয়। তাঁর বক্তব্য, ‘উদ্ধব ঠাকরে সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁর কথা শুনে, তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়ে গেল’।

আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে রক্তাক্ত ত্রিপুরা, সুরমার তৃণমূল প্রার্থীকে খুনের হুমকি

ইমতিয়াজ বলেছেন, আমাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু ঠাকরের কথা শোনার পর তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছে। আপনার নম্রতা তাদের গালে সপাটে চড় মেরেছে, যারা আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। গতকাল ফেসবুক লাইভে উদ্ভব বলেছিলেন, ‘সামনে এসে কথা বলুন। যদি যোগ্য না হই, মুখ্যমন্ত্রী এবং শিবসেনা সভাপতি উভয় পদ থেকে ইস্তফা দেব। আমি আমার পদত্যাগপত্র প্রস্তুত রাখব। সুরাট থেকে কেন আমাদের বিরোধিতা করা হচ্ছে’।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে প্রায় ৪০ জন বিধায়ককে নিয়ে গুজরাটের সুরাটে চলে যান রাজ্যের নগরোন্নয়নমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। সেখান থেকে বুধবার সকালে অসমে যান তাঁরা। শিবসেনা বিধায়কদের বিরোধ বেধেছে প্রধানের সঙ্গে। সূত্র অনুযায়ী, শিন্ডে চান, শিবসেনা হাত শিবির ও এনসিপি-র সঙ্গ ছেড়ে বিজেপির সাথে একজোট হোক। যার পরেই জল্পনা শুরু হয় যে, ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে হাত মেলাতে পারেন একনাথ শিন্ডে। সব মিলিয়ে মারাঠা রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে।