ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে ন্যাটোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ইউরোপ যাচ্ছেন বাইডেন

38

মহানগর ডেস্ক: রাশিয়া আর ইউক্রেনের যুদ্ধ দিন দিন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। রাশিয়ান সেনার হামলা ইউক্রেনে বেড়েই চলেছে। ইউক্রেনীয় সেনারা নিজেদের সমস্ত কিছু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাও রাজধানী কিয়েভের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে আসছে রাশিয়ান সেনাবাহিনী। এরইমধ্যে ইউরোপে ন্যাটো জোটের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এর আগে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রাশিয়ার জন্য হুঁশিয়ারি বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এবার এই নিয়ে ন্যাটোর সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তিনি। রয়টার্স সূত্রে খবর, ইউক্রেনে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছে ‘নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’। এই বৈঠকের দরুন আগামী সপ্তাহে ইউরোপ সফরে আসতে পারেন জো বাইডেন। সূত্র অনুযায়ী, মার্চের ২৩ তারিখ ওই বৈঠকে রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা আছে”।

এমনিতে ইউক্রেন ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য দেশ নয়। কিন্তু জোটটির অন্তর্ভুক্ত হতে চেয়ে ইচ্ছে জাহির করেছে কিয়েভ। আর অপরদিকে এই যুদ্ধের অন্যতম কারণ হল জেলেনস্কি প্রশাসনের এই পদক্ষেপ। দু-সপ্তাহের বেশি রাশিয়ান সেনারা হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের উপর। এতদিনে ইউক্রেন ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ে পরিণত হয়েছে।

রাশিয়া হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের খারকিভ, কিয়েভ সহ আরও নানা শহরে। বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছে। সম্প্রতি ন্যাটোর কাছে ‘নো ফ্লাই জোন’-এর আর্জি জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সোমবার ভার্চুয়ালি বিশ্বের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন জেলেনস্কি। বলেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধ ঠেকিয়ে নেওয়া গেলেও, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে।

অন্যদিকে ন্যাটোর সঙ্গে হওয়া বৈঠক নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর রয়েছে, ন্যাটো জোটের অন্যতম সদস্য দেশ পোল্যান্ডেও যেতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি জানান, “ইউরোপের অন্যান্য সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে ইউক্রেন নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা চালাচ্ছে আমেরিকা”। তবে এদিকে বারবারই ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো ফ্লাই জোন’-এর ঘোষণা করা প্রয়োজন বলে, আবেদন জানিয়েছেন জেলেনস্কি। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ন্যাটো। যুক্তি, ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করলে, রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এবার দেখার ন্যাটোর সঙ্গে বৈঠকে শেষমেষ কি সিদ্ধান্তে পৌঁছান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।