Mamata Banerjee: ‘গণতন্ত্রের গলা টিপে মারছে বিজেপি’, মহারাষ্ট্র প্রসঙ্গে মন্তব্য মমতার

91
Mamata Banerjee: 'গণতন্ত্রের গলা টিপে মারছে বিজেপি', মহারাষ্ট্র প্রসঙ্গে মন্তব্য মমতার

মহানগর ডেস্ক: দিন দিন নাটকীয় মোড় নিচ্ছে মারাঠা রাজনীতি (Maharashtra Government)। যেকোনও মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর গদি ছাড়তে পারেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। ইতিমধ্যেই সরকারি বাসভবন ছেড়ে মাতোশ্রীতে থাকছেন তিনি। এদিকে বিদ্রোহী বিধায়ককে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে জোট সরকার বাঁচাতে মরিয়া কংগ্রেস ও এনসিপি। প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই একনাথ শিন্ডে জানিয়েছেন, শিবসেনাকে বিজেপির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপন করতে হবে। আর এহেন পরিস্থিতিতে বালাসাহেব ঠাকরের ছেলের পাশে দাঁড়ালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। মহারাষ্ট্রের রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতির জন্য নাম না নিয়ে বিজেপিকেই (BJP) দায়ী করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো (Mamata Banerjee)।

বৃহস্পতিবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে মহারাষ্ট্র প্রসঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “অনৈতিকভাবে সরকার ভাঙার চেষ্টা চলছে। মহারাষ্ট্রের পর এবার অন্য সরকারের উপর হামলা হবে। সমস্তটাই পরিকল্পনা করে করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ওদের কাছে নম্বর নেই। তাই সরকার ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। সিবিআই, ইডি, টাকা দিয়ে সবকিছু করতে চাইছে”। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, “যতই বাহুবল দেখাক না কেন একদিন না একদিন আপনাদের যেতেই হবে। উদ্ভব ঠাকরের সুবিচার চাই”। বৈঠকে নাম না নিয়েই গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: ‘রাজ্য পুলিশের জন্য গঠিত হবে ওয়েলফেয়ার ফোরাম’, ঘোষণা মমতার

প্রসঙ্গে নেত্রী অভিযোগ করেন, ‘ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। গণতান্ত্রিক দেশে এই ধরনের কার্যকলাপ মোটেই কাম্য নয়। অনৈতিকভাবে, অসাংবিধানিকভাবে হাজার হাজার টাকা দিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার ফেলার চেষ্টা করছে তারা’। তাঁর বক্তব্য, ‘আমার দলেরই ২০০ জনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যারা আদতে অভিযুক্ত নন। এদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি টাকা বিলিয়ে সবকিছু করে চলেছে। খরচের কোনও সীমা নেই’।

বৃহস্পতিবার সকালে গুয়াহাটির হোটেলের বাইরে যেখানে শিবসেনা বিদ্রোহীরা অবস্থান করছে, সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “একটা বড় দল টাকার বিনিময়ে লোকজনকে কিনে নিচ্ছে। অসমের দোষ নেই। ভয়ঙ্কর বন্যায় বিপর্যস্ত গোটা রাজ্য। সেই সময় মানুষকে সাহায্য করার বদলে, বিধায়ক কেনাবেচার কাজে লাগানো হয়েছে অসম সরকারকে। এই বিধায়কদের বাংলায় পাঠিয়ে দিন। আতিথেয়তা জানি আমরা। গণতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করতে হয়? তা দেখে নেব”। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, মহারাষ্ট্রে এই মুহূর্তে যা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারতে গণতন্ত্র রয়েছে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।