Tripura: উপনির্বাচনে রক্তাক্ত ত্রিপুরা, সুরমার তৃণমূল প্রার্থীকে খুনের হুমকি

72

মহানগর ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার ত্রিপুরার চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। কারণ এই উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ত্রিপুরার (Tripura) নতুন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও। এমত অবস্থায় ভোটের আগের রাতে তৃণমূল প্রার্থীর ওপর চলে হামলা। সুরমার তৃণমূল (AITC) প্রার্থীর ওপর ভোটের আগের রাতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রাণ বাঁচাতে দলীয় কর্মীর বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থীকে। প্রার্থীর পরিবারের সদস্যদেরও প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়, তাঁর বাড়িতেও চলে ভাঙচুর।

আরও পড়ুন: রাতারাতি ফেটে চৌচির প্রধানমন্ত্রীর জন্য বানানো রাস্তা

ত্রিপুরার সুরমা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন নমঃশূদ্রর ওপর হামলা চালায় শাসক দল বিজেপির আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বুধবার রাতে অর্জুন বাড়ি ফেরার পথে প্রায় ৩০০ জন দুষ্কৃতী তাঁর গাড়িকে ধাওয়া করে। তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন জানান, দুষ্কৃতীরা প্রত্যেকেই মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল। তাঁদের প্রত্যেকের হাতে লাঠি, হকি স্টিক ইট – পাটকেল ছিল। তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীর গাড়িকে লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। এমত অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে ওই এলাকায় অবস্থিত কর্মী দীপক দাসের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী।

অর্জুন নমঃশূদ্রকে দলীয় কর্মী দীপকের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখে দুষ্কৃতীরা। তাঁর বাড়িতেও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলে তাঁরা। ভাঙচুর চালাতে শুরু করে তৃণমূল সমর্থকের বাড়িতে। এমনকি ৩-৪ রাউন্ড শূন্যে গুলিও চালায় দুষ্কৃতীরা। এমনকি তাঁদের প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর এদিন সকালে পুলিশের দ্বারস্থ হন তৃণমূল প্রার্থী। তিনি লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন, দলীয় সমর্থকদের নিয়ে ভোটের দিন জমায়েত করলে, তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুন করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

এদিকে, এদিন সকালে সুরমার বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী স্বপ্না পাল দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন বুথে ভোট লুট করার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনের অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। প্রসঙ্গত, তৃণমূল ওই রাজ্যে দল শুরু করার পর থেকেই দফায় দফায় দেখা গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর ছবি। রাজ্যের যুবনেতা ত্রিপুরায় প্রচারে গেলে, তাঁদের ওপর চালানো হয় হামলা। তাঁদের গাড়িকে লক্ষ্য করে চলে ইট বৃষ্টি।