উৎসবের মরশুমেই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন, ক্ষোভের স্বর বিরোধী গলায়!

10

নিজস্ব প্রতিনিধিউৎসবের মরশুমেই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ক্ষোভে ফুঁসছেন ওই চার কেন্দ্রের ভোটাররা। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপি, বাম এবং কংগ্রেস। যদিও নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের শাসক দল।

রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার, ভবানীপুরে উপনির্বাচন। এদিনই ভোট হবে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও। এর ঠিক এক মাস পরেই উপনির্বাচন হওয়ার কথা কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গোসাবায়। এই চার কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হবে ২রা নভেম্বর। তার একদিন পরেই কালীপুজো। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই দুর্গাপুজো। তার রেশ ঠিকঠাক কাটার আগেই লক্ষ্মীপুজো। এর পক্ষকাল পরেই কালীপুজো, ভাইফোঁটা। টানা এই উৎসবের মরশুমে ভোট চাইছেন না কোনও বাঙালিই। তাই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন তাঁরা।

আম বাঙালির পাশাপাশি কমিশনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বাঙালি হিসেবে উৎসবের মধ্যে কেউ ভোট সমর্থন করবে না। কমিশন ঘোষণা করেছে। তাই আমরা ময়দান ছেড়ে পালিয়েও যাব না। প্রায় একই সুর শোনা গেল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর গলায়ও। তিনি বলেন, এতদিন যেহেতু উপনির্বাচন হয়নি, তাই আর কয়েকটা দিন পিছিয়েই দেওয়া যেত। উৎসব পার করে নির্বাচন করলেই ভালো হত। উৎসবের মরশুমে ভোটের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন বামেরাও। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, উৎসবের মধ্যে উপনির্বাচন। ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে এরকম কেউ করে না। কমিশন কি খোঁজখবর রাখে না যে, এই সময় উৎসবের মরশুম!

বিরোধীরা সমালোচনা করলেও, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে তৃণমূল। দলের নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোনও কেন্দ্রই প্রতিনিধিহীন থাকা উচিত নয়। আমরাই সব কেন্দ্রে নির্বাচন করার জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলাম।