China-India: লাদাখের আকাশসীমায় চক্কর কাটছে ড্রোন, শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন চিনের

52

মহানগর ডেস্ক: আবারও শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে চিন পূর্ব লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা (Ladakh Row) অতিক্রম করছে বলে অভিযোগ উঠছে। মাঝেই মাঝেই শূণ্যে দেখা মিলছে যুদ্ধ ড্রোন। গত মাসে সেনা কম্যান্ডার পর্যায়ের ১৬ তম বৈঠকে দুই দেশের নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি সহাবস্থানের জন্য একমত হয় ভারত ও চিন। সেই বৈঠকে সীমান্ত তথা এলএসি থেকে সেনা সড়িয়ে নেওয়া (ডিসএনগেজমেন্ট) ও সেনার সংখ্যা কমানো (ডিএসক্যালেশন)-নিয়ে আলোচনা ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কিন্তু তার পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে বাড়বাড়ন্ত কমছে না লাল ফৌজের। বারে বারে অনধিকার ভারতের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ছে চিনা যুদ্ধবিমানকে। এরপরই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

ভারতীয় সেনা সূত্র খবর, চুক্তির পরও পূর্ব লাদাখের (Ladakh Row) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিকটস্থ এলাকা ঘিরে বসেছে চিনা এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম। সেখানেই চলছে অস্ত্র ও যুদ্ধবিমানের মহড়া। যা একান্ত ভারতীয় সীমান্তকে নিশানা করেই চলার দৃশ্য ফুটে উঠেছে রাডারে। চুক্তি অনুযায়ী, এলএসি-র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দু’দেশের উড়ান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু চিন একেবারে জেহাদি মনভাব নিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো কাজ করছে। কোনও নিয়মের তোয়াক্কা নেই।

সীমান্তের ১০ কিলোমিটারের মধ্যেই স্থাপন করেছে প্রচুর যুদ্ধবিমান। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েনের সময় থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চুক্তির পর উত্তর ও দক্ষিণ প্যাঙ্গং লেক ও তার সংলগ্ন পাহাড়ি খাঁজ থেকে লাল সেনা সরালেও অন্যদিকে গোগরা, হট স্প্রিং, দেপসাং ভ্যালিতে নতুন করে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে নতুন করে সেনা মোতায়েন করছে চিন (Ladakh Row)। অস্থায়ী ছাউনিও করা হচ্ছে। ডিসএনগেজমেন্ট বা সেনা পিছনোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, লাল ফৌজ তাদের ঘাঁটি সাজনোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। ক্যাম্পের মধ্যে অস্ত্র রাখার জন্য রাইফেল ডিভিশনও মোতায়েন করা হয়েছে। এর থেকেই ভারতের কাছে স্পষ্ট, এখনই সীমান্ত দখলদারি ছাড়ছে না চিন। এমনকি যে কোনও মুহূর্তে ভারতীয় নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় লাল ফৌজ হামলা চালাতে পারে, সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিতে পারছে না ভারতীয় সেনা।