তাইওয়ানের আকাশসীমায় লালফৌজের লালচোখ!ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ

26

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: তাইওয়ানের আকাশসীমায় লালফৌজের লালচোখ! সোমবার আচমকাই দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করে দু’টি চিনা যুদ্ধবিমান৷ যা নিয়ে ফের উঠছে সেই প্রশ্ন, তাহলে কি এই দ্বীপরাষ্ট্রের দখল নিতে চলেছে চিনের লালফৌজ?

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন সকালে আচমকাই তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে চিনা বায়ুসেনার দু’টি চেংদু জে-১০ ফাইটার জেট৷ ঘটনাটি নজরে পড়তেই টহলদারি শুরু করে তাইওয়ানের বায়ুসেনা৷এর পরেই ঘনিয়েছে যুদ্ধের আশঙ্কা৷ সম্প্রতি এক মার্কিন সেনাকর্তার সতর্কবার্তা, তাইওয়ান দখল করতে হামলা চালাতে পারে চিন৷তার পর এই ঘটনায় সেই আশঙ্কা আরও জোরাল হয়েছে৷এনিয়ে শুধু মার্চ মাসেই এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২ বার তাইপেইয়ের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে চিনা যুদ্ধ বিমান৷

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র উ কিয়ান কার্যত হুমকির সুরে বলেন, তাইওয়ান চিনের অংশ৷ যারা তাইওয়ানের স্বাধীনতার কথা বলছে, তারা আগুন নিয়ে খেলছে৷এর ফল কতটা মারাত্মক হতে পারে, তা তারা বুঝতে পারছে না৷

এরই প্রেক্ষিতে দিন কয়েক আগে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মার্কিন সেনাকর্তা অ্যাডমিরাল ফিলিপ ডেভিডসন বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো ক্ষমতা অর্জন করতে চায় চিন৷ তাই সেই অর্থে আন্তর্জাতিক আইন মানে না তারা৷ আমি উদ্বিগ্ন৷ আমার মনে হয়, আগামী ছ’ বছরের মধ্যে তাইওয়ান দখল করতে হামলা চালাবে চিন৷

চিনকে চাপে রাখতে গত বছরই তাইওয়ানকে মিসাইল দেওয়ার কথা ঘোষণা করে আমেরিকা৷ সেবার ১০০টি হারপুন ক্ষেপনাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন৷ এতে বেশ চাপে পড়ে যায় চিন৷

চিনের আপত্তি উড়িয়ে গত বছর ১০ অগস্ট তাইওয়ান সফরে যান মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যালেক্স আজার৷ তাইপে গিয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গণতান্ত্রিক তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের জোরাল সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়ে দেন তিনি৷ তার পর ক্রমেই ঘনিয়েছে তাইওয়ান দখলের আশঙ্কার মেঘ৷ সোমবারের পর যা আরও বেড়েছে৷