Cleopatra’s Beauty Secrets: শরীর ঝলমলে রাখতে রোজ গাধার দুধে স্নান করতেন মিশরের বিস্ময়-সুন্দরী ক্লিওপেট্রা!

82
queen cleopetra
মিশরের বিস্ময়সুন্দরীর চোখধাঁধানো রূপের রহস্য!

মহানগর ডেস্ক: বিশ্বের সর্বকালের সেরা সুন্দরীর নাম কী( Beutiful Woman Of World) , প্রশ্ন করলে অনেকেই এক নিঃশ্বাসে একটাই নাম করে থাকেন। মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা (Queen Cleopatra)। যা নিয়ে কোনও প্রতিবাদ হবে না। বলে নেওয়া ভালো প্রাচীন মিশরের মানুষেরা নিজেদের শরীরের যত্নের ( Body Care) ব্যাপারে একেবারে সিরিয়াস ছিলেন। সেইসঙ্গে মেকআপ, দেখতে ভালো লাগা থেকে বয়সের ছাপ আটকাতে নানা টোটকা ব্যবহার ( Several Remedies) করতেন।

ক্লিওপেট্রাকে সবাই জানতেন শুধু রহস্যের কুয়াশামাখা সৌন্দর্যের (Mist) জন্য নয়। তাঁর চোখ ঠিকরোনো ঝলমলে শরীরের ত্বক যা শতকের পর শতক ধরে দুনিয়াকে বিবশ করে রেখেছে। তবে তাঁর চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্যের পেছনে এমন কিছু ছিল, যা তাকে বিশ্বসুন্দরীর তকমা দিয়েছে। শরীরকে অমন ঈর্যার যোগ্য করে তুলতে কী কী করতেন, আসুন একবার জেনে নেওয়া যাক। প্রথমেই বলা দরকার তিনি স্নান করতেন যা দিয়ে, তা শুনলে অবাক হওয়ার কথা। রোজ স্নান করতেন অল্পবয়সি মেয়ে গাধার দুধ দিয়ে।

সেই দুধে মিশিয়ে দেওয়া হতো আলমন্ড আর টাটকা মধু। ওই আলমন্ড আর মধু মেশানো দুধ শরীরের রোমকূপ থেকে একেবারে ত্বকের ভেতরে ঢুকে যেতো। এরপর কাঁচা আঙুরের রস বের করে ফেসিয়াল করতে রানি ক্লিওপেট্রা। ব্যবহার করতেন সমুদ্র থেকে ছেঁচে আনা নুন। তা দিয়ে শরীরের অনাবৃত অংশ ঘষতেন। এতে শরীরের মৃত কোষ বেরিয়ে যেতো। ত্বককে ঝলমলে করার জন্য মাখতেন আপেলের নির্যাস দিয়ে তৈরি ভিনিগার। এতে শরীরের রক্তসঞ্চালন খুব ভালো হতো।

চামড়ার পিএইচ মেনটেন করা সম্ভব হতো। আর নখের সৌন্দর্যের জন্য ক্লিওপেট্রা হেনা লাগাতেন আর লিপস্টিক হিসেবে নরম ঠোঁটে দিতেন পাহাড়ের মাটি দিয়ে নরম প্রলেপ। আজকাল চুল স্ট্রেটনিং করার জন্য বহু মেয়েই ছটফট করেন। সেই সময়ও এ ব্যাপারে ক্লিওপেট্রার নজর ছিল প্রচণ্ড। এ জন্য চুলে মধু আর ক্যাস্টর অয়েল। আর তাতেই বিস্ময়সুন্দরীর মেঘকালো চুল তাঁর বশে থাকতো।