জেএনইউতে হামলা, মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন সোনিয়া গান্ধী

6
sonia on jnu

 

Highlights

  • জেএনইউতে ছাত্র ও শিক্ষকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা
  • বিজেপি সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন কংগ্রেসের সভানেত্রী
  • ‘গুন্ডাবাহিনীর তাণ্ডব ভয়াবহ এবং নজিরবিহীন’, বললেন সোনিয়া গান্ধী

মহানগর ওয়েবডেস্ক: জেএনইউতে ছাত্র ও শিক্ষকদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। হিংসার তীব্র নিন্দা করে সোনিয়া বলেছেন, “ক্যাম্পাসের মধ্যে ভারতের যুবদের ওপর গুন্ডাবাহিনীর তাণ্ডব ভয়াবহ এবং নজিরবিহীন। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে উপদ্রব চলছে। কখনও পুলিশ, কখনও ভ্রষ্ট মানুষরা বিজেপি সরকারের সমর্থনে উপদ্রব চালাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।” ট্যুইটারে অভিযোগ সোনিয়ার।

জেএনইউ হিংসার ঘটনার পর প্রতিক্রিয়ায় পুলিশের দিকে আঙুল তুলেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও উত্তরপ্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পুলিশের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াকেই মূলত টার্গেট করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

সারা দেশজুড়ে দিল্লি পুলিশের ভূমিকার কড়া নিন্দা হচ্ছে। জেএনইউ-এর ক্যাম্পাসের মধ্যে যখন গুন্ডাবাহিনী দাপিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছিল, অভিযোগ পুলিশ তখন একপ্রকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্র ও শিক্ষকদের ওপর হামলা করতে ছাড় দিয়ে দিয়েছিল পুলিশ, অভিযোগ জেএনইউ-র ছাত্রদের। এই ঘটনায় দিল্লি পুলিশ ও সরকারের সমালোচনায় সোনিয়ার সরব হওয়ার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

“ভারতের ছাত্র-যুবদের গলার স্বর প্রতিদিন বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। দেশের যুবদের ওপর গুন্ডাবাহিনীর ভয়াবহ ও অভূতপূর্ব আক্রমণে ক্ষমতাসীন মোদী সরকার সক্রিয়ভাবে ছাড় দিয়েছে। এটা ভীষণই আপত্তিজনক এবং একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।” ট্যুইট করেন কংগ্রেস সভানেত্রী।

শিক্ষার্থী এবং যুবকদের সামর্থের মধ্যে শিক্ষা, কর্মসংস্থান যা তাঁদের প্রাপ্য, একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভবিষ্যৎ এবং আমাদের সমৃদ্ধ গণতন্ত্রে অংশ নেওয়ার অধিকার প্রয়োজন। “দুঃখের বিষয়, মোদী সরকার এই সকল আকাঙ্ক্ষাকে প্রত্যাহার করে এবং সংযত করতে চায়,” জেএনইউতে হিংসার ঘটনায় স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় রাজধানীতে জেএনইউ ক্যাম্পাসে হিংসার প্রথম রিপোর্ট রাত ৮ টার কিছু আগে এসেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে যে লোহার রড, হাতুড়ি দিয়ে হোস্টেলে মুখোশধারী ব্যক্তিদের দল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ইউনিয়নের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের রক্তাক্ত ছবি সামনে আসে। অভিযোগের তির এবিভিপির দিকে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।