Coronavirus : করোনা আক্রান্তের পোশাকে ঠিক কতক্ষণ বেঁচে থাকে ভাইরাস? জানুন এর নির্মূলের সহজ উপায়

49
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা

মহানগর ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতার। বিশেষজ্ঞদের মতে আক্রান্ত ব্যক্তির জামাকাপড়ে করোনাভাইরাসের স্থায়িত্বকাল এক এক রকম হয়। সুতির কাপড়ের চেয়ে সিল্ক,জর্জেট কাপড়ে করোনাভাইরাস টিকে থাকে। তবে নাইলনের কাপড়ে স্থায়িত্ব অনেক কম। বিশেষজ্ঞদের মতে সর্বাধিক ৭২ ঘন্টা করোনাভাইরাস যে কারও পোশাকে স্থায়ী হয়।

তবে কেবলমাত্র পোশাকে নয়, কোনও প্লাস্টিক অথবা ধাতব বস্তুতেও খুব একটা বেশিক্ষণ থাকতে পারেনা এই জীবাণু। প্রসঙ্গত কোনও পোশাকই পুরোটা সুতোতে তৈরি হয় এমন নয়। একটি পোশাকে প্লাস্টিক বা ধাতব বোতাম থাকে। তবে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা কোনও ব্যক্তি বা বস্তু অথবা কাপড় থেকে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সেক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে কয়েকটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি।

যেহেতু করোনাভাইরাস হাত চোখ নাক মুখ ইত্যাদির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে তাই সচেতন থাকা জরুরি।

সচেতনতা :

অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে আগেই পোশাক বদলান। তারপর হাত মুখ ধুয়ে অন্য কোনও পোশাক বা বস্তুর গায়ে হাত দেবেন।

পোশাক বদলানোর সময় নিজের হাত মুখ স্পর্শ করবেন না। মুখের কাছ থেকে দূরে রাখুন নিজের হাত। ফেলে রাখা পোশাক যদি তখন কাচা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে অন্য একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে রাখুন।

যেহেতু জামা কাপড়ের সঙ্গে লেগে থাকা ভাইরাস হাত-নাক-মুখ-চোখ ইত্যাদির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে সম্ভব হলে আগে পোশাককে ডিস-ইনফেক্ট করে তারপর ছাড়া উচিত।

ওয়াশিং মেশিনে যদি জামাকাপড় ধোন সেক্ষেত্রে তাপমাত্রা সর্বাধিক বাড়িয়ে নিন। যেকোনও ধরনের কাপড় কাচার সাবান গুঁড়ো ভাইরাস মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট কুড়ি মিনিট সাবান জলে ভিজিয়ে রেখে তারপর ধোবেন।

সূর্যের আলো আসে এমন জায়গা বেছে নিন কাপড় শুকানোর জন্য। তবে এই দিনগুলিতে বাড়িতেই আয়রন করার ব্যবস্থা করুন। ধোপার বাড়িতে কাপড় ধুতে আয়রন করতে দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।

বাইরে থেকে ফিরে সম্ভব হলে সাবান শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে নিজেকে পরিষ্কার করুন। কারণ চুল ও ত্বকে ভাইরাসের কণা লেগে থাকতে পারে।

এবং অবশ্যই গরম জল খান ১০ মিনিট অন্তর অন্তর।

Coronavirus