‘আদালতের রায় দুর্ভাগ্যজনক’, গঙ্গাসাগর নজরদারি কমিটি থেকে শুভেন্দুকে সরানোর পর মন্তব্য শমীকের

13

মহানগর ডেস্ক: সামনেই গঙ্গাসাগর মেলা। ইতিমধ্যেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। কিন্তু তার মধ্যেই নতুন সিদ্ধান্ত নিল হাইকোর্ট। বলা যেতে পারে রাজ্য সরকারের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে হাইকোর্ট। গঙ্গাসাগর মেলার নজরদারি কমিটি থেকে শুভেন্দু অধিকারীর নাম বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট। আর এই ঘটনার পেছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে বলেই দাবি বিজেপির। বঙ্গ বিজেপি দাবি করেছে, চক্রান্ত করে শুভেন্দু অধিকারীকে কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের রায় দুর্ভাগ্যজনক। মঙ্গলবার গঙ্গাসাগর মেলায় নিয়ে একাধিক শর্ত লাগু করেছে আদালত। তারই সঙ্গে নজরদারি কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন একটি কমিটি গড়া হয়েছে।

হাইকোর্টের তরফেই কমিটিতে বাদ পড়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিন সদস্যের কমিটি ভেঙে করা হয়েছে দুই সদস্যের কমিটি। যেখানে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষের সদস্য। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, গঙ্গাসাগর মেলার নজরদারি কমিটি থেকে শুভেন্দুকে বাদ দেওয়া তৃণমূলের চক্রান্ত। দুর্ভাগ্যজনক অনভিপ্রেত রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। বিরোধী দলনেতা কখনোই বলেনি তাকে কমিটিতে রাখার জন্য। রাজনৈতিক কারণে রাজ্য তার অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করেছে। কিন্তু সরকার যেভাবে চেয়েছে সেভাবেই মেলায় অনুমতি দিচ্ছে কেন আদালত? আদালত ভার্চুয়াল মাধ্যমে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের জীবনের কি কোন দাম নেই? আশা করব আদালত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে, শুধু গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে নয়, রাজ্যের বকেয়া পুরভোট নিয়েও মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, নির্বাচন মানুষের জন্য, নির্বাচনের জন্য মানুষ নন। তৃণমূলের এক নেতা বলছেন, দুই মাসের জন্য সব বন্ধ রাখতে। তৃণমূলের আসল অবস্থান কি সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না। শুনানির জন্য আবারও দু’দিন সময় দিয়েছে। আদালতের এই অবস্থান দুর্ভাগ্যজনক। অর্থাৎ এই প্রসঙ্গে এর মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের একবার কটাক্ষ করলেন তৃণমূল বিজেপির মুখপাত্র।