‘দেশে পড়ুয়াদের তুলনায় গরুদের নিরাপত্তা বেশী’, জেএনইউ কাণ্ডে ট্যুইট বোমা টুইঙ্কেলের

7
kolkata

Highlights

  • দিল্লির জওহরলাল নেহুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সবরমতী গার্লস হোস্টেলে ঢুকে ভাঙচুর চালায়
  • ট্যুইটারে চাঁচাছোলা আক্রমণ করেছেন অভিনেত্রী-লেখিকা টুইঙ্কাল খান্না
  • যদিও জেএনইউ-এর তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গত রবিবার রাতে দিল্লির জওহরলাল নেহুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সবরমতী গার্লস হোস্টেলে ঢুকে ভাঙচুর চালায় একদল মুখোশধারি দুস্কৃতি। মারা হয় ছাত্রী, অধ্যাপকদের। এই ঘটনার জন্য জেএনইউ-এর ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ-সহ মোট ১৮ জন পড়ুয়া গুরুতর জখম হওয়ায় তাদের ইতিমধ্যেই দিল্লির এইমসে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে গেরুয়া ছাত্র সংগঠন এবিভিপির দিকে। একই সঙ্গে গোটা ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর জগদীশ কুমারকেও বিঁধতে ছাড়েননি ছাত্রছাত্রীরা। আর এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশাপাশি বলিউডের একাধিক তারকা মুখ খুলেছেন।

ট্যুইটারে চাঁচাছোলা আক্রমণ করেছেন অভিনেত্রী-লেখিকা টুইঙ্কাল খান্না। তিনি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ”ভারত, যেখানে গরুদের সম্মান করা হয়, তাদের বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়। কিন্তু ছাত্রদের কোনও সম্মান কিংবা সুরক্ষা নেই। এখন তো দেশে আন্দোলন করলেও জোর করে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, কিন্তু এইভাবে কোনও আন্দোলনকে থামানো যাবে না। এতে দেশে আরও হিংসা ছড়াবে, আরও বেশি বনধ হবে, মানুষ আরও বেশি সংখ্যায় রাস্তায় নামবে।” এই ঘটনায় গতকাল রাত থেকেই দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরেও আন্দোলন করতে দেখা যায় তাদের। ক্যাম্পাসে এই হিংসার ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভাবে সহ-উপাচার্যের জড়িত থাকার ঘটনায় তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে জেএনইউ ছাত্র সংসদ। ইতিমধ্যেই দিল্লির উপ-রাজ্যপালের কাছে গতকালের ঘটনার একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্ত্বপক্ষ। যদিও জেএনইউ-এর তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার সন্ধে নাগাদ মুখে কালো কাপড় বেঁধে আচমকাই ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে একদল দুষ্কৃতী। সামনে যে আসে তাকেই ধরে মারধর করা হয়, সঙ্গে গাড়ি ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ। এই তাণ্ডবে জেএনইউ-র ছাত্র সংগঠনের সভাপতি ঐশী ঘোষ গুরুতর আহত হন। মাথা ফেটে যায় তাঁর। এমনকি যেসব অধ্যাপক, অধ্যাপিকারা সেই সময় ছাত্র ছাত্রীদের বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসেন, তাঁদের ওপরও হামলা চালায় ওই দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার না হলেও দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।