IPL: চেন্নাই এক্সপ্রেসকে বেলাইন করে মসনদে পন্থের দিল্লি

49
শেষ পর্যন্ত এই উচ্ছ্বাস বজায় থাকল দিল্লি শিবিরের।

মহানগর ডেস্ক: দুটি দলই আগে প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করেছে। তাই এদিনের লড়াইটা ছিল মূলত শীর্ষস্থান দখলের। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এল ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেট খুইয়ে ১৩৬ রান তোলে সিএসকে। চেন্নাইয়ের ব্যাটিং শক্তির প্রাণভোমরা দুই ওপেনার ফাফ ডু প্লেসি এবং রুতুরাজ গায়কোয়াড। গত ম্যাচে শতরান হাঁকালেও, এদিন কিন্তু চূড়ান্ত ব্যর্থ গায়কোয়াড। মাত্র ১৩ রান করেন তিনি। সেইসঙ্গে ফাফও ফেরেন ১০ রান করে। ফলে চেন্নাই ব্যাটিংয়ের সার কঙ্কাল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। মিডল অর্ডারে অম্বাতি রায়াড়ু প্রতিরোধ না গড়ে তুললে আরও খারাপ অবস্থা হত চেন্নাইয়ের।

৪৩ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন রায়াড়ু। দুরন্ত ফর্মে থাকা রবীন্দ্র জাদেজাকে না নামিয়ে আগে ভাবে বাইশগজে চলে আসেন ধোনি। ব্যাটিং শেষে নেটিজেনদের প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন মাহি। কারণ, আইপিএলের মঞ্চে ২৭টি বলের মোকাবিলা করে এমএসডির অবদান ১৮। ইনিংসে ছিল না কোনও চার, ছয় তো দূরস্ত। নেটিগদের অনেকেই মজা করে লিখেছেন, ‍‘অবসর ভেঙে আবার জাতীয় টেস্ট দলে ঢোকার মহড়া হিসাবে আইপিএল খেলছেন ধোনি।’

জবাবে দিল্লির ব্যাটিংও যে খুব আহামরি হয়েছে, তা একেবারেই নয়। পৃথ্বী (১৮) যথারীতি ব্যর্থ। তবে ধাওয়ান একটা দিক ধরে রেখে ৩৫ বলে ৩৯ রান করে দলকে অনেকটা টেনে নিয়ে যান। মিডল অর্ডারও সেভাবে কার্যকীর ভূমিকা পালন করতে পারেনি। একটা সময় ম্যাচটি ঝুঁকে পড়েছিল চেন্নাইয়ের দিকেই। কিন্তু শিমরন হেটমেয়ার ১৮ বলে মারকাটারি ২৮ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। দুই বল বাকি থাকতে ৭ উইকেট খুইয়ে জয়ের রান তুলে নেয় দিল্লি।

এই জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে দীর্ঘদিন পর শীর্ষস্থানে ফিরে এল দিল্লি ক্যাপিটালস।