‘দিল্লি জ্বলছে আর জাভেদ সাহেব ধর্ম খুঁজে বেড়াচ্ছেন’, আক্রমণ বাবুলের, ট্যুইটে পাল্টা জাভেদের

18
bengali news

Highlights

  • দিল্লির সংঘর্ষে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করায় জাভেদকে ট্যুইটে খোঁচা বাবুলের
  • কিছুদিন আগেই দিল্লি সংঘর্ষে নাম জড়ায় আপ নেতা ও কাউন্সিলর তাহির হোসেনের
  • দিল্লি সংঘর্ষে তাহিরের নাম জড়াতেই দল থেকে বহিস্কার করা হয় কেজরিওয়ালকে

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ‘নাম তাহির বলেই কি দিল্লি সংঘর্ষে অভিযুক্ত?’, গতকাল ট্যুইটারে আপ কাউন্সিলার তাহিরের দিল্লি সংঘর্ষে নাম জড়ানো নিয়ে পুলিশের সমালোচনা করেন জাভেদ। আর সেই ট্যুইটের পাল্টা দিয়ে গীতিকারকে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয়প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এদিন ট্যুইট করে সাংসদ জানিয়েছেন, ”লজ্জা হয়, দিল্লিতে যখন এই আগুনটা লেগেছে তখন জাভেদ আখতার ধর্ম খুঁজে বেড়াচ্ছেন। যাক একটা ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে গেল, আসল মুখোশটা খুলে গিয়েছে আপনার। একটা সময় ওনাকে মহান কবি হিসাবে জানতাম, কিন্তু কখন যে ওনার মনে ধর্মের রং লেগে যাবে সেটা বুঝতেই পারবেন না।”

আর এদিন বাবুলের এই ট্যুইটের পাল্টা জবাব দিয়েছেন গীতিকার জাভেদ। শুধুমাত্র বাবুল সুপ্রিয় নয় জাভেদকে ট্যুইটে খোঁচা দিতে ছাড়েননি পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। গতকাল তাহিরের বিষয়ে বলতে গিয়ে ট্যুইটারে দিল্লি পুলিশের দিকে আঙুল তুলেছেন গীতিকার। তিনি বলেছেন, ‘কতজন মারা গিয়েছেন, কত মানুষ আহত, একাধিক বাড়ি জ্বলছে, দোকানপাট সব লুট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পুলিশ শুধু একজনকেই খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাঁর নাম তাহির বলেই কী এটা হচ্ছে? দিল্লি পুলিশের কাজ দেখে খুবই ভালো লাগছে।”

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই দিল্লি সংঘর্ষে নাম জড়ায় আপ নেতা ও কাউন্সিলর তাহির হোসেনের। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয় তাঁর মদতেই নাকি আইবি কর্মী অঙ্কিত শর্মা খুন হয়েছেন। দু’দিন আগেই গোয়েন্দা কর্মীর দেহ উদ্ধার হয় নালা থেকে। এই বিষয়ে অঙ্কিতের বাবা অভিযোগ করেন, আপ নেতা তাহিরের লোকেরাই তাঁর ছেলেকে মারধর করে খুন করে। শুধুমাত্র আইবি কর্মীর মৃত্যু নয়, দিল্লিতে সংঘর্ষের সময় আপ কাউন্সিলর তাহিরের বাড়ি থেকে পেট্রোল বোমা ও প্ল্যাস্টিকের পাউচে অ্যাসিড উদ্ধার করা হয়।


দিল্লিতে সংঘর্ষের সময়, পুলিশ ও আধাসেনা বাহিনীর ওপর অ্যাসিড আক্রমণ হয়েছিল বলে দাবি প্রত্যেক্ষদর্শীদের। তবে সেই অ্যাসিড তাহির বা তাঁর লোকেরাই ছুঁড়েছিল কী না সেইবিষয়ে কিছুই জানা যাইনি এখনও পর্যন্ত। এই ঘটনা সামনে আসতেই তাহিরকে ইতিমধ্যেই আম আদমি পার্টি থেকে বহিস্কার করেছে কেজরিওয়াল। এদিকে তাহিরের সমর্থনে আপ নেতা সঞ্জয় সিং বলেন, ‘তাহির হোসেন লাগাতার নিজেকে বাঁচাতে পুলিশের সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু আট ঘণ্টা পর পৌঁছে পুলিশ তাঁকে ঘর থেকে বের করে দেয়। যদি কাউকে সন্দেহভাজন মনে হয় তবে তদন্ত করুন। কিন্তু তাহির দুদিন ধরে বাড়িতেই ছিলেন না।’