দোতলা বাড়ির মালিক আমফানের ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন, বিক্ষোভ পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনে

9
kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলি: আমফানে প্রকৃত ক্ষতিগ্ৰস্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণের তালিকায় নাম নেই গ্ৰামবাসীদের।  সেই জায়গায় নাম উঠেছে পাকা বাড়ি, দোতলা বাড়ির মলিকদের। সেই অভিযোগে পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনে পঞ্চায়েত সদস‍্য প্রদ‍্যুৎ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন গ্ৰামবাসীদের। ঘটনার জেরে পঞ্চায়েতের প্রধান দীপালি সাঁতরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন গ্ৰামবাসীর সঙ্গে। রীতিমতো তর্কাতর্কি হয় প্রধানের সঙ্গে গ্ৰামবাসীর। ঘটনাটি ঘটে সিঙ্গুর থানার নসিবপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুর এলাকার। বিক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে সিঙ্গুর থানার পুলিশ।

গ্ৰামবাসীর বক্ত‍ব্য, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছে বাড়িঘর। চাল উড়ে গিয়েছে অনেকের। গাছ পড়ে ক্ষতিগ্ৰস্থ হয়েছে ঘরবাড়ি। অথচ ক্ষতিপূরণের তালিকায় আমাদের নাম নেই। যাদের কিছু হয়নি তারা ক্ষতিপূরণের টাকা পাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা নিমাই সাঁতরা অভিযোগ করেন, আগে আমরা সিপিএম  করতাম এখন বিজেপি করছি। তাই আমাদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে না। ঘর পড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছি প্রধানকে। প্রধান বলেন, আমরা বিজেপি করি, দেখছি কী করা যায়।

অন‍্যদিকে, নসিবপুর পঞ্চায়েতের প্রধান দীপালি সাঁতরা গ্ৰামবাসীদের অভিযোগ খারিজ করে দেন। তার বক্ত‍ব্য, একটা ক্ষতিপূরণের তালিকা তৈরি হয়েছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তা ছাড়া, যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তারা যদি বাড়ি এসে দরখাস্ত করতেন তা হলে মিটে যেত। প্রধানের বক্ত‍ব্য,  তার পক্ষে সবার বাড়ি বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়। অন‍্যদিকে, নসিবপুর পঞ্চায়েতের সদস‍্য যাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় গ্ৰামবাসীরা, সেই প্রদ‍্যুৎ ঘোষের বক্ত‍ব্য, ‌যারা দরখাস্ত করেছিল তাদের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্ৰামবাসীর বিক্ষোভের পর বিডিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের কাল সকালের মধ‍্যে ক্ষতিপূরণের জন‍্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। তবে ক্ষতিপূরণের তালিকায় দোতলা বাড়ির মালিকের নাম আছে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকৌশলে এড়িয়ে যায় পঞ্চায়েত সদস‍্য।