‘দলের নেতারাই ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, উনি তো সেলিব্রিটি’, শ্রাবন্তীর দলত্যাগ নিয়ে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

18
Dilip Ghosh
শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের দলত্যাগের পর আক্ষেপের সুর শোনা গেল দিলীপ ঘোষের গলায়।

মহানগর ডেস্ক: চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে তারকাদের যোগদানের হিড়িক লেগে ছিল। আবার দল বদলা-বদলিরও হাওয়া চলছিল। যদিও বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকে দলত্যাগের হিড়িক লাগে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পদ্মে পা রেখেছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তৎকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত ধরেই গেরুয়া শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ৯ মাস কাটতে না কাটতেই বিজেপি ত্যাগ করলেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার টুইট করে নিজের দলত্যাগের কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বিজেপি উন্নয়নের কোনও কাজ করছে না। তাদের কাজ নিয়ে অভাব দেখা দিয়েছে।

এবার এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘শ্রাবন্তী যে দলে আছেন সেটাই তো এতদিন জানতাম না। দলের কর্মীরাও জানতেন না। এমনকি জনতাও তা জানত না। তাহলে ঘটা করে টুইট করে দল ছাড়ার কি আছে! উনি দলে যোগদান করে এখনও পর্যন্ত কিছুই করে উঠতে পারেননি’। শুধু তাই নয় এদিন বিজেপি নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ‘বিজেপিকে ভালোবেসে দলে এসেছিলেন, এমন তো নয়। তাহলে তো আগেই আসতেন। ভোটের আগে কেন আসলেন। দল ক্ষমতায় আসতে পারে ভেবেই তিনি এসেছিলেন। প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেনি। এখন যেহেতু দল আর ক্ষমতায় নেই, উনিও জিততে পারেননি, তাই তাঁর যাওয়ার পালা’।

অন্যান্য বিজেপি নেতাদের দলবদল নিয়ে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেকেই ওরকম আসেন আবার চলে যান। এসব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে নেই। রাজনৈতিক নেতারা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, আর উনিতো সেলিব্রিটি! উনিত চলে যাবেনই। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের দলত্যাগের বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, তাঁর দলত্যাগে বিজেপিতে বিশেষ কোনও প্রভাব পড়বে না। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন বিজেপিতে থাকলে টালিগঞ্জে কাজ পাওয়া যায় না।

পাশাপাশি শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের দলত্যাগ নিয়ে তথাগত রায় জানিয়েছেন, ঘাড় থেকে ভূত নামল। এর আগেও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, তনুশ্রী চক্রবর্তী, পায়েল সরকারের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে একাধিকবার কটাক্ষ করেছিলেন বর্ষিয়ান নেতা।