‘এখন বামেদের মার খাওয়ার সময়, এমন ঘটনা আরও ঘটবে’! JNU-র ‘গুণ্ডাদের’ সমর্থন দিলীপের

7
kolkata bengali news

Highlights

  • দিল্লির জওহরলাল নেহুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সবরমতী গার্লস হোস্টেলে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবিভিপি
  • আক্রমণের ঘটনাকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি
  • বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের বিতর্কে জড়ালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যেখানে জেনইউয়ের ছাত্রীদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় নিন্দা করছে সমস্ত মহল, এই অবস্থায় কার্যত হামলাকারীদেরই পাশে দাঁড়ালেন তিনি। সোমবার জেনইউয়ের ছাত্রীদের ওপর আক্রমণের ঘটনাকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘এবার বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে। এমন ঘটনা পরে আরও ঘটবে।’ যেখানে খোদ নির্মলা সীতারমণ, গৌতম গম্ভীরের মতো বিজেপির মন্ত্রী-সাংসদরা এই হামলার নিন্দা করছেন, হামলাকারীদের ‘গুণ্ডা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন, সেখানে দিলীপের এহেন মন্তব্য চমকে দেওয়ার মতো।

পরোক্ষভাবে এই হুমকি দিয়েই থেমে থাকেননি রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এই ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীদেরই দুষে তিনি আরও বলেন, ‘জেনইউয়ে অশান্তির মূলে বামেরাই। বছরের পর বছর ধরে গন্ডগোল পাকাচ্ছে বামেরা। এবার বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে। এমন ঘটনা পরে আরও ঘটবে।’ তাঁর কথায়, ‘বামেরা মার খেলেই যত গোলমাল হয়। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্যে যখন এবিভিপি মার খায় কেউ পথে নামেন না। বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণে নিয়ে তাঁর সওয়াল, ২০ সেপ্টেম্বর যাদবপুরে ঘেরাও করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুস সুপ্রিয়কে। রাজ্যপাল রাতে তাঁকে উদ্ধারে গেলে, সেই গাড়ি ঘিরেও চলে বিক্ষোভ। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোথায় ছিলেন? পড়ুয়াদের সমাজবিরোধী আখ্যা দিয়ে মমতা সর্বদা তাদের পাশেই থাকেন বলে দাবি করেছেন দিলীপ।

প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধেয় দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের গার্লস হস্টেলে ঢুকে হামলা চালায় কয়েকদল দুষ্কৃতী। ব্যাট, লাঠি, রড দিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বাম ছাত্র সংসদ সভাপতি ঐশী ঘোষ-সহ একাধিক বাম ছাত্র নেতা- কর্মীদের। এই হামলায় গুরুতর জখম হন বেশ কয়েকজন। এমনকি গুরুতর ভাবে আহত হন অধ্যাপিকা সুচরিতা সেন। জানা গিয়েছে হামলাকারীদের প্রত্যেকের মুখই ছিল কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় বয়ে যায় গোটা দেশ জুড়ে। যদিও এদিন রাজ্য বিজেপি সভাপতির গলায় শোনা যায় উল্টো সুর।