রামধনুর রং ফিকে করে আবার লিগ টেবিলের শীর্ষে মশালবাহিনী

55

ডেস্ক: রামধনুর রংকে ফিকে করে লাল-হলুদ রঙে জ্বলে উঠল মশালবাহিনী। একে তো রবিবার, তার ওপর রাখিবন্ধন উৎসব। তার মধ্যে ইস্টবেঙ্গলের এই জয় যেন লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে শ্রেষ্ঠ উপহার। পরপর জয় দিয়ে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান যেন একে অপরকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এ যেন সাপলুডো খেলা। একবার মেরিনার্সরা লিগ টেবিলের শীর্ষে তো একবার মশালবাহিনী। কলকাতা লিগের লিগ টেবিল যেন সবুজ-মেরুন বা লাল-হলুদ রঙেই রঙীন হয়ে আছে। তবে ডার্বির আগে এই ম্যাচকে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ ছিসাবেই দেখেছেন ইস্টবেঙ্গল টিডি সুভাষ ভৌমিক।

রেনবোয় পেন ওর্জিদের মতো তাবড় তাবড় ফুটবলার থাকতেও শেষ রক্ষা করতে পারেন নি রামধনু কোচ তড়িৎ ঘোষ। এদিন প্রথমার্ধের ২ মিনিটেই লম্বা পাস আসে রামধনু থেকে। কিন্তু সামাদ খুব সুন্দরভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করেন। এদিন প্রথম থেকেই রেনবোর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে লাল-হলুদ শিবির। এরপর চার মিনিটে আমনার কর্ণার ক্লিয়ার করেন ডিকা। তারপর ২৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে চুল্লোভা দলের হয়ে প্রথম গোল করেন। এরপর দিব্যেন্দু রেফারির সঙ্গে তর্ক করায় তিনি হলুদ কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধের শেষে স্কোরলাইন হয় ১-০।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্রে তেমন কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। তড়িৎ ঘোষের ছেলেরা গোল পরিশোধ করার চেষ্টা করলেও তা করতে দেন নি আমনারা। এমনকি দ্বিতীয়ার্ধের শেষ লগ্ন পর্যন্ত সুভাষ ভৌমিকের ছেলেরা নিজেদের দুই নম্বর গোলটি করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু তা অধরাই থেকে যায়। অবশেষে গোলশূন্য হয়েই মাঠ ছাড়েন রামধনুরা। শেষ জয়ের হাসিটা হাসে মশালবাহিনী।