শিক্ষা হয়েছে নন্দীগ্রামে, ভবানীপুরে সতর্ক নির্বাচন কমিশন

35

মহানগর ডেস্ক: বহুকাল স্মরণে থেকে যাবে একুশের নন্দীগ্রাম। একজন প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করার কিছুক্ষণ পরেই সে ‘পরাজিত’। ২ মে সন্ধ্যার দিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী হারিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একবার জয়ী ঘোষণা করার পর সেই প্রার্থীকে হেরো ঘোষণা করার পরিসংখ্যা অতীতে নেই পশ্চিমবঙ্গে। স্বভাবতই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হয়েছে বিস্তর জলঘোলা। জল গড়িয়েছিল আদালতের দোরগোড়াতেও।

তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা। কিন্তু তাঁকে জিততেই হবে রাজ্যের কোনও না কোনও বিধানসভা আসন থেকে। তাই নিজের পাড়া থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। আজ ৩ অক্টোবর ভবানিপুর উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ। নন্দীগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে আর কোনও ভুল করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন, খবর এমনটাই।

গণনার ক্ষেত্রে যাতে কোনও ত্রুটু না হয় সে ব্যাপারে সাবধানী কমিশন। দিল্লির নির্বাচন কমিশনের অফিস থেকে সতর্ক থাকার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত যা খবর তাতে বিজেপি সহ অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩৫৫ ভোট। বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৯৮ ভোট। সিপিআইএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৩৯৮ টি ভোট। এখনও পর্যন্ত গণনা হওয়া মোট ভোটের নিরিখে ৮৪.১৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন মমতা। বিজেপির প্রার্থীর ঝুলিতে আপাতত ১৩ শতাংশের কিছু বেশি ভোট।