ছিদ্র বন্ধ হলেও, জল কতটা ভেতরে ঢুকে ক্ষতি করেছে তা জানা অত্যন্ত প্রয়োজন: ফিরহাদ হাকিম

39

মহানগর ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছর পর ফের একবার বউবাজারের একাধিক বাড়িতে দেখা গেল ফাটল। মেট্রোর কাজের জন্য ধরা পড়ল একাধিক বাড়িতে ফাটল। মূলত মেট্রোর কাজের জন্য নিচের দিকে বসে গিয়েছে বাড়িগুলি। তাই সেই বাড়িগুলি রাখার থেকে ভেঙে ফেলা অনেক ভালো বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বিকেলে কলকাতা পুরসভার সঙ্গে বৈঠকে বসে ছিল পুরো মেট্রো কর্তৃপক্ষ। প্রথম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, মেট্রোর টানেলের ভেতরে বেশ কয়েকটি ছিদ্র দেখা দিয়েছিল। যেখান থেকে ক্রমশ জল ঢুকতে শুরু করেছিল। ছিদ্রগুলিকে বন্ধ করা গিয়েছে। কিন্তু ড্যামেজ কোথায় হয়েছিল?

কারণ কলকাতার রাস্তা জুড়ে রয়েছে পলিমাটি। পলিমাটির বহন ক্ষমতা কমে গিয়েছে। যার কারণে জল কতদূর পর্যন্ত গেছে এবং সেখানে গিয়ে কতটা ক্ষতি করল সেটা জানা খুব দরকার। ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলেও জল ভেতরে ঢুকে কতটা পলিমাটি ধুয়ে দিচ্ছে সেটা জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণটা মেট্রো টানেল কতটা নিরাপদ আগামীদিনে সেটা সবথেকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আশা পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম আরও জানিয়েছেন, আমি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে জানাতে চাই যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এসে গোটা বিষয়টি দেখানো উচিত। যাতে আগামী দিনে কোনও মানুষই বিপদে না পড়ে।

মেট্রোর কাজের জন্য ফের আড়াই বছর পর বউবাজারের বাড়িগুলিতে ধরেছে ফাটল। যার কারণে নিজের বসতি ছেড়ে সরে যেতে হয়েছে অন্যত্র। দুর্গা পিতুরি লেনে একাধিক মানুষকে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছে। বুধবার রাত থেকেই বউবাজারের একাধিক জায়গায় বাড়ি বিপদজনক হয়ে উঠেছে।