Geetanjali Shree: হিন্দি উপন্যাস লিখে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাজিমাত, প্রথম বুকার জয়ী ভারতীয় মেয়ে গীতাঞ্জলি শ্রী 

222
Geetanjali Shree: হিন্দি উপন্যাস লিখে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাজিমাত, প্রথম বুকার জয়ী ভারতীয় মেয়ে গীতাঞ্জলি শ্রী 

মহানগর ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বুকার প্রাইজ পেল ভারত। হিন্দি উপন্যাস ‘টম্ব অফ স্যান্ড’-এর (Tomb of Sand) জন্য পুরস্কার পেলেন গীতাঞ্জলি শ্রী (Geetanjali Shree)। এই প্রথম ভারতীয় ভাষায় লেখা কোনও সাহিত্য ‘আন্তর্জাতিক বুকার প্রাইজ’ (International Booker Prize) পেল। বৃহস্পতিবার লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে দিল্লি নিবাসী গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, তিনি পুরস্কারটি পেয়ে অভিভূত। পদকের সঙ্গে ৫০ হাজার পাউন্ড অর্থও পেয়েছেন। তিনি তাঁর বইয়ের অনুবাদকদের সঙ্গে এই সম্মান ভাগ করে নিয়েছেন।

হিন্দি থেকে বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ডেইজি রকওয়েল। বইয়ের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা। যিনি পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে পাকিস্তান যাওয়ায় বদ্ধপরিকর। দেশভাগের ক্ষতে প্রলেপ লাগানো নারী হিসেবে নিজের পরিপূর্ণতার উপলব্ধির গল্প বুনেছেন গীতাঞ্জলি। বইটি প্রসঙ্গে বুকার পুরস্কারের বিচারকরা বলেছেন যে, এক মুহূর্তের জন্যও তা নিচে রাখা যায়না। এছাড়া একাধিক বিশেষণে বইটির প্রশংসা করেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ‘আমি জনগণকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিলে আপনার এত কষ্ট কীসের?’, বিজেপি নেতাকে তোপ কেজরিওয়ালের

পুরস্কার নিতে গিয়ে গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, “বুকার পাবো বলে কখনও কল্পনা করিনি। পেতে পারি বলে ধারণাও হয়নি। অসম্ভব পাওনা, অভিভূত আমি। আনন্দিত, সম্মানিত এবং বিনীত। কারোর মতে, এই বইটি আনন্দের ও উচ্ছ্বাসের। পড়তে শুরু করলে থামা একেবারেই অসম্ভব। শ্রীর কথায়, ‘টম্ব অফ স্যান্ড’ এমন একটি পৃথিবীর গল্প বলে যেখানে আমরা বাস করি। চিরজীবনের দুঃখ কষ্টের মধ্যেও আশা বেঁচে থাকার কাহিনী বলে এই বই। বুকারের জন্য ‘রেত সমাধি’ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছবে।

যদিও বা নিজের জয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি। তাঁর বক্তব্য, হিন্দি তো বটেই, দক্ষিণ এশীয় অনেক ভাষাতেই এমন মণি-মাণিক্য ছড়িয়ে রয়েছে। পরিসরের বিস্তৃতি ঘটছে ধীরে ধীরে। আগামী দিনে আরও অনেকে এই ধরনের পুরস্কার পাবে বলে, আশাবাদী তিনি। অন্যদিকে বইয়ের অনুবাদক ডেইজি লেখালেখির সঙ্গে ছবিও আঁকেন। আমেরিকার ভআরমন্টের বাসিন্দা তিনি‌। অনুবাদক হিসেবে পুরস্কার নিতে উঠে তিনি বলেছেন, এই বইটি অনুবাদের মাধ্যমে তিনি আসলে হিন্দি ভাষার প্রতি নিজের ভালোবাসাকে উৎসর্গ করেছেন।

আরও পড়ুন: মাঝআকাশে রক্ষা পেল একটি প্রাণ, সাধুবাদ ক্রু সদস্য ও চিকিৎসককে

‘রেত সমাধি’ ২০১৮-তে প্রকাশিত হয়। ব্রিটেনে প্রকাশিত সেটি গীতাঞ্জলির প্রথম বই। ২০২১-এর আগষ্ট মাসে বইটি অ্যাক্সিস প্রেস প্রকাশ করে। এবারে এই বইটিকে কড়া টক্কর দিচ্ছিল বোরা চুঙের লেখা ‘কার্সড বানি’। তবে অবশেষে সকলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। গীতাঞ্জলির হাত ধরে এদেশ আন্তর্জাতিক বুকার প্রাইজ পেল।