জিও মোবাইলের টাওয়ার বসানোর নাম দিয়ে ২০ লক্ষ টাকার প্রতারনা, ৭ মাসের চেষ্টায় গ্ৰেপ্তার অভিযুক্ত

72

নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব বর্ধমান: রাজ্যে বাড়ছে প্রতারণার দৌরাত্ম্য। নয়া পদ্ধতিতে চলছে একের পর এক প্রতারণামূলক কাজ। ছাদে জিও কোম্পানির টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল পূর্ব বর্ধমান জেলার সাইবার ক্রাইম বিভাগ। ধৃতের নাম অশোক কুমার দোকানিয়া, সে কলকাতার বেহালার বুড়োশিব তলার বাসিন্দা।

শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত চালিয়ে পুরো টাকাই উদ্ধার করেছে সাইবার টিম। এবং বেহালা থেকে এক প্রতারককে গ্রেপ্তার করাও হয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে সতর্ক থেকে প্রতারকেদের ফাঁদে পা না দেবার আবেদন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, গত বছর নভেম্বর মাসে বর্ধমান শহরের উল্লাশ মোড় এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোম মালিকে মোবাইল টাওয়ার বসানোর টোপ দেয় এই ধৃত ব্যক্তি। জানানো হয় টাওয়ার বসানোর জন্য প্রায় ১.৫ কোটি টাকা দেওয়া হবে, বর্ধমানের ওই বেসরকারি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু তার জন্য সরকারি কাগজপত্র করতে ও ট্যাক্স বাবদ তিন দফায় ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৬২০টাকা বেসরকারি নার্সিংহোম মালিককের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়।

পরে বেসরকারি নার্সিংহোম মালিক প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে পূর্ব বর্ধমান জেলা সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পেয়ে তৎপর হয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। প্রায় সাত মাসের চেষ্টায় প্রতারণার সম্পূর্ণ টাকাই উদ্ধার করে সাইবার ক্রাইম বিভাগ। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় মূল অপরাধীকে। প্রতারিত হওয়া সম্পূর্ণ টাকা ফেরত পেয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নার্সিংহোমের মালিক।