AAIMS: ‘প্রভাব খাটিয়ে মিলেছে চাকরি’, ২ বিজেপি বিধায়কের নামে নালিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

59
AAIMS: 'প্রভাব খাটিয়ে মিলেছে চাকরি', ২ বিজেপি বিধায়কের নামে নালিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

মহানগর ডেস্ক: SSC দুর্নীতির মাঝে এইমসে (AIIMS) চাকরি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল গেরুয়া শিবিরের। বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার কন্যা ও নদিয়ার চাকদহের বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষের পুত্রবধূর চাকরি হয়েছে কল্যাণীর কেন্দ্রীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে। সূত্র অনুযায়ী, সেই চাকরি কোনও পরীক্ষা ছাড়া বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতাদের সুপারিশেই হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) কাছে এই নিয়ে নালিশ করেছেন বিজেপিরই একজন নেতা।

একদিকে স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় রাজ্যের শাসক দলকে দুষছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার মধ্যে নিজেরা পড়ে গিয়েছে বিপাকে। বাঁকুড়া ও নদিয়া জেলার ২ বিধায়কের কাণ্ড-কারখানায় অস্বস্তি বেড়েছে গেরুয়া শিবিরের। কারোর মতে, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেও তা প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবার বিজেপি সিবিআই চাক। তাদের দাবি, কেন ২ বিধায়ক ও তাঁদের কন্যা ও পুত্র বধুকে নিজাম প্যালেসে ডাকা হবে না?

প্রসঙ্গে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘মধ্যপ্রদেশে ব্যাপম কেলেঙ্কারি দেখেছি। কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানেও দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি চলছে। পরীক্ষার বালাই নেই। অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার নাকি এক নেত্রীর মাধ্যমে নিয়োগ করছেন। সেই ঘটনার সমানভাবে তদন্ত করা উচিত। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে পরীক্ষার বালাই নেই। এবার সিবিআই কোথায়?’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি চাকদহের বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষের পুত্রবধূ AAIMS-এর নার্সিং কলেজে চাকরি পেয়েছেন আপার ডিভিশন ক্লার্ক পদে। পাশাপাশি বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার মেয়েও নার্সিং কলেজে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি করছেন। অভিযোগ উঠেছে, এই দুজনেই বিজেপির প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পেয়েছেন। করেছেন, বিজেপির নদীয়ার সাংগঠনিক জেলা কমিটির সদস্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যা নিয়ে অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন তিনি।

তাঁর কথায়, এই নেতারা তাদের ব্যক্তিগত এজেন্ডা পূরণ করছেন পার্টি ও নিজেদের পদকে ব্যবহার করে। অথচ যাঁরা বিজেপির সাধারণ কর্মী তাঁরা লড়াই করছেন। তাঁরা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন। এদিকে সংবাদমাধ্যমের কাছে বঙ্কিম ঘোষ জানিয়েছেন, ‘পুত্রবধূ পরীক্ষা দিয়েই চাকরি পেয়েছে’। অন্যদিকে বাঁকুড়ার বিধায়কের বক্তব্য, ‘প্রভাব খাটিয়ে নয় আবেদনের মাধ্যমে একটি ঠিকাদারি সংস্থার অধীনে কাজ করছে মেয়ে’। পুরো বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তোলপাড় বঙ্গ বিজেপি। একদিকে মাঠে-ময়দানে লড়াই করে চাকরি পাচ্ছেন না দলের কর্মীরা। অন্যদিকে কিছু জন প্রভাব খাটিয়ে আত্মীয়দের চাকরি দিচ্ছেন। প্রসঙ্গে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেছেন, “যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি না হলে, এইমস কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা উচিত। দলের সঙ্গেও কথা বলা হবে। অভিযোগ সত্যি হলে, দলের পক্ষে মঙ্গলজনক নয়”।

Read More

‘বিতর্কিত আইন AFSPA-এর অধীনে উত্তর-পূর্ব অঞ্চলগুলিতে এলাকার পরিমাণ হ্রাস করা হয়েছে’, ঘোষণা অমিত শাহের