BSF-কে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপালের দ্বারস্থ শুভেন্দু ll জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা হবে না আশ্বাস, ধনখড়ের

7
Suvendu Adhikari
BSF নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্বেগের আশ্বাস দিলেন রাজ্যপাল।

মহানগর ডেস্ক: সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে তিন রাজ্যে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫ কিলোমিটার থেকে তা বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে। আর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছে রাজ্যের শাসক দল থেকে বাম, কংগ্রেস সকলেই। যা নিয়ে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার বিধানসভায় একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল। বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সেই প্রস্তাব পাস হয় বিধানসভায়।

সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছিল ১১২ টি বিপক্ষে ভোট পড়েছিল ৬৩ টি। শুধু তাই নয় এইদিন বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন বিএসএফকে নিয়ে তীর্যকপূর্ণ মন্তব্য করেন তৃণমূলের বিধায়ক উদয়ন গুহ। এর পরেই বিএসএফ ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে রাজ্যের বিএসএফ (BSF) ও সিএপিএফ (CAPF) উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেন বিরোধী দলনেতা। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দিচ্ছে তারও অভিযোগ করেছেন। একইসঙ্গে এই বিষয়ে যাতে রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করেন তার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

 

এরপরে রাজ্যপাল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে এই বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যেকোনও ভাবে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে আপস করা হবে না। গণতন্ত্রের ওপর জোর দেওয়া হবে এবং সেই বিষয়ে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই বিষয়টি তিনি নিজে দেখবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সীমান্তরক্ষী বাহিনীদের নিয়ে উদয়ন গুহর মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছিল বিধানসভা। শুধু তাই নয়, বিধায়কের মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন স্বয়ং স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানিয়েছিলেন, বিএসএফ মানে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সেনা মনে করা হচ্ছে। তাদের মত একটা দেশভক্ত সংগঠনকে যেভাবে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে তা দেখে মনে হচ্ছে আমরা যেন দেশের বাইরে কোথাও দাঁড়িয়ে রয়েছি। দার্জিলিঙে অশান্তির সময় সেনা নেমেছিল। বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রাজ্য পুলিশের কোনও ক্ষমতা খর্ব হয়নি’।