গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ, লাভপুরকাণ্ডে হাতকড়ার হাতছানি এড়ালেন মুকুল

33
kolkata news

Highlights

  • আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল পর্যন্ত মুকুল রায়কে গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ
  • ২০১০ সালের ৪ জুন লাভপুরের নবগ্রামে সালিশি সভার নাম করে ৩ ভাই কুটুন শেখ, ধানু শেখ ও তরুণ শেখ
  • আদালতের অনুমতি ব্যাতিত লাভপুর, শান্তিনিকেতন এবং বোলপুর থানা এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না মুকুল
  • দ্বিতীয়বারের আবেদনে অবশ্য স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা

মহানগর ওয়েবডেস্ক: আবেদনে ত্রুটি ছিল, যার জেরে প্রথমবার গ্রেফতারি স্থগিতাদেশ ও আগাম জামিনের আবেদন নাচক করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ত্রুটি শুধরে অবশেষে লাভপুর কাণ্ডে হাতকড়ার হাতছানি এড়ালেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মামলায় মুকুলের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়ে দিল হাইকোর্ট। ফলস্বরূপ আদালতের রায়ে স্বস্তির শ্বাস ফেললেন বঙ্গ বিজেপির ‘চাণক্য’।

ঘটনার শুরু ২০১০ সালের ৪ জুন লাভপুরের নবগ্রামে সালিশি সভার নাম করে ৩ ভাই কুটুন শেখ, ধানু শেখ ও তরুণ শেখকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওই ৩ সিপিএম নেতা খুনের ঘটনায় মনিরুলকে বহিষ্কার করে ফরওয়ার্ড ব্লক। এরপর তৃণমূলে নাম লেখান মনিরুল। ঘটনার পর্যায়ক্রমে মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ওই একইকাণ্ডে জুড়ে যায় মুকুল রায়ের নাম। চার্জশিটও পেশ করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। প্রথমবার তাঁর গ্রেফতারির স্থগিতাদেশের জন্য এই মামলাতে আবেদন করেন মুকুল রায়। কিন্তু তাতে ত্রুটি থাকায় সে আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দ্বিতীয়বারের আবেদনে অবশ্য স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা।

এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, লাভপুর কাণ্ডে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল পর্যন্ত মুকুল রায়কে গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ। তবে মুকূলকে স্বস্তি দিলেও কিছুটা অস্বস্তিও রেখেছে আদালত। মুকুলের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের অনুমতি ব্যাতিত লাভপুর, শান্তিনিকেতন এবং বোলপুর থানা এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না বিজেপি নেতা মুকুল রায়।