Health: খালি পেটে চা পান করা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো? জেনে নিন কী বলছে পুষ্টিবিদ

62
Health: খালি পেটে চা পান করা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো? জেনে নিন কী বলছে পুষ্টিবিদ

মহানগর ডেস্ক: প্রায় সকলেই আমরা সকালে উঠে চা (Tea) পান করে থাকি। যতক্ষণ না ঘুম থেকে উঠে গরম পানীয়তে চুমুক দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ দিন শুরু করার কল্পনাও করতে পারে না বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, খালি পেটে চা পান করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো?

প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ এবং নিউট্রেসি লাইফস্টাইলের সিইও ডঃ রোহিনী পাটিল বলেছেন, চাতে অনেক উপকারিতা রয়েছে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এটি পান করলে আপনার পেট খারাপও হতে পারে বা আপনার হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পুষ্টিবিদের বক্তব্য, সকালের চা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে। আপনার বদহজম, অম্বল ও অ্যসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেইসঙ্গে কিছু বিষয়ে সতর্ক করেছেন ডঃ রোহিনী। বলেছেন-

  • মাথা ব্যাথা করলে আমরা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে থাকি। তবে এর পেছনের কারণ হতে পারে চায়ে ক্যাফিনের উপস্থিতি। ঘুমোতে যাওয়ার আগে প্রচুর পরিমাণে পানীয় পান করলে তা সাহায্য করতে পারে।
  • খালি পেটে চা পান করলে আপনার পরিপাকতন্ত্রে গ্যাস তৈরি হতে পারে। এমনকি ডিহাইড্রেশনও হতে পারে। রাতে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘুমানোর কারণে আপনার বডি ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকে। আর আপনি যখন ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে চা পান করেন, তখন তা ডিহাইড্রেশনের কারণ হয়। থিওফাইলাইন চায়ের একটি রাসায়নিক পদার্থ, কপ্রোলাইটের উপর ডিহাইড্রেটিং প্রভাব ফেলতে পারে। যা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণও হতে পারে।
  • বিশেষজ্ঞের কথায়, চায়ে ট্যানিন নামক উপাদান রয়েছে। যা খাদ্য থেকে আয়রন শোষণে বাধা দেয়। ক্যাফিন পুষ্টির শোষণ কমাতে পারে। অনদিকে চা আপনার পাকস্থলীর তরলের অ্যাসিড বেস এবং ক্ষারীয় ভারসাম্যকে ব্যাহত করে। যার ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়ে থাকে।

ডঃ পাটিল বলেছেন, আপনি খালি পেটে চা পান করার পরিবর্তে ব্রেকফাস্টের সঙ্গে বা কিছু স্ন্যাক্সের সঙ্গে তা পান করতে পারেন। পাশাপাশি আপনি চা পান করার আগে কিছু বাদাম খেতে পারেন বা এমন কিছু খেতে পারেন যাতে ভিটামিন, মিনারেলস আইরন, ম্যাগনেসিয়ামের মত পদার্থ রয়েছে। চা পান করার সবচেয়ে ভালো সময় হলেও বিকেল ৩টে। এর ফলে আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর সুস্থ থাকে।