মহানগর ডেস্ক: আর বেশি দিন বাকি নেই। সামনেই ত্রিপুরার (Tripura) ৪ আসনে উপনির্বাচন। তার আগে সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। চলতি বছরের বিধানসভা ভোটে হেরে গিয়েও, নিরাশ হয়নি ঘাসফুল শিবির। জোর কদমে উপনির্বাচনের জন্য তৈরি হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। মঙ্গলবার ত্রিপুরায় পা রেখেই বিজেপিকে (BJP) এক হাত নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে উপস্থিত হয় সিবিআই।
আগামী ২৩ জুন টাউন বড়দোয়ালি ও আগরতলা বিধানসভায় রয়েছে উপনির্বাচন। তার আগে সেখানে প্রচারে গিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর কথায়, ‘দমবার পাত্র নন তিনি। ঘাসফুল এখানে পা রাখতেই বদল হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। বদল ঘটবে ২০২৩-এর বিধানসভাতেও। বিজেপি সরকার এখনও কোনও উন্নতি করতে পারেনি এরাজ্যে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার দিক থেকে কোনও উন্নয়ন হয়নি ত্রিপুরায়। এখনও ত্রিপুরাবাসীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে কলকাতায় আসতে হয়।
আরও পড়ুন: দিল্লিতে পা রেখেই শরদ পাওয়ারের বাসভবনে মমতা
প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘বিজেপি ভাইরাস হলে তৃণমূল হল ভ্যাকসিন। ত্রিপুরেশ্বরী রাজ্যে আমার আশার নাম শুনলে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপদ্রব একটু বেশি বেড়ে যায়’। মঙ্গলবার ব়্যালি শেষে বড়দোয়ালি বিধানসভার অন্তর্গত জিবি বাজারের সভামঞ্চ থেকে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন অভিষেক। তাঁর প্রশ্ন, “হঠাৎ ২০২২-এ কেন বদলে গেল এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? কারণ ভয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির”।
সেইসঙ্গে নূপুর শর্মা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকলেই দেখতে পাচ্ছে বিজেপির মুখপাত্র কী ভাষায় কথা বলছে! দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি করছে। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের নাম খারাপ হচ্ছে। আচ্ছে দিন আসার বদলে, দেশের নানা জায়গায় অশান্তকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। বেড়েছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। তাঁর বক্তব্য, “TMC সংগঠন তৈরি করছে। বারবার হামলা হচ্ছে দলের উপর। কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব। আজ এসেছি, আবার ২০ তারিখ আসব”।