তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম শ্রমিক হাসপাতালে

29

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠা দিবসেই পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর অশান্তি। অশান্তি শেষমেশ পৌঁছায় দু পক্ষের হাতাহাতিতে। তার জেরে জখম হন বেশ কয়েক জন। গুরুতর জখম অবস্থায় এক শ্রমিককে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তমলুক জেলা হাসপাতালে।

পয়লা জানুয়ারি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন হলদিয়ার ধানশিড়ি পেট্রোকেমিক্যালের গেটে পালিত হওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস। নির্দিষ্ট সময়ের কিছু আগেই তৃণমূলের একটি অংশের লোকজন গিয়ে পতাকা তুলে দেন। এ নিয়ে তৃণমূলের দুটি গোষ্ঠীর বচলা বাঁধে। পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছায়। তৃণমূলের দাবি, কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক গিয়ে অশান্তি শুরু করে। তারা আগেই পতাকা তুলে দেয়। যার জেরে শুরু হয় দু’পক্ষে হাতাহাতি। ঘটনায় গুরুতর জখম হন একজন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে ওই এলাকায় একশোরও বেশি বোমা ফাটায় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তি। ঘটনায় তিনজন গ্রামবাসী জখম হয়েছেন। ঘটনার নেপথ্যে যে তৃণমূল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন দলেরই এক কর্মী। তিনি বলেন, পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। সেই সময় আমাদের দলের কয়েকজন কর্মী- সমর্থক হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। অন্য দলের কিছু সদস্য ছিল বলে মনে হয়।

কেবল হলদিয়া নয়, জেলায় জেলায় অব্যাহত তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। সেই একই খবর উঠে এল পশ্চিম মেদিনীপুরের গরবেতার খড়কুশমা গ্রামে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত তৃণমূলের দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ঘটনার জেরে ভাঙচুরও হয় তৃণমূল পার্টি অফিস।