Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে দুর্গা পুজোয় ভোগ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা, ক্ষমা না চাইলে প্রতিমা নিরঞ্জন কর্মসূচি স্থগিতের দাবি পুজো উদ্যোক্তাদের

52
ঝাড়খণ্ডে দুর্গা পুজোয় ভোগ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা, ক্ষমা না চাইলে প্রতিমা নিরঞ্জন কর্মসূচি স্থগিতের দাবি পুজো উদ্যোক্তাদের

মহানগর ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের দুর্গা পুজোর বিভিন্ন প্যান্ডেলে ভোগ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। আর সেই কারণে ওই রাজ্যের অন্তর্গত পূর্ব সিংভূম জেলার পুজো উদ্যোক্তারা নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, ডেপুটি কমিশনার সূরজ কুমার জোর করে বাধা প্রদান করে ভোগ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

এই পূর্ব সিংভূম জেলায় প্রায় দুশোর কাছাকাছি দুর্গা পুজো হয়। কিন্তু পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ভোগ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য ক্ষমা চাইবে ততক্ষন তাঁরা প্রতিমা নিরঞ্জন কর্মসূচি সম্পন্ন করবেন না। কিন্তু এই এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী বন্যা গুপ্ত পুজো উদ্যোক্তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও উদ্যোক্তারা এই বিষয়ে চুপ থাকতে নারাজ।

অভয় সিং নামক এক পুজো উদ্যোক্তা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে তোপ দেগে বলেছেন, ‘ ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে মনে হয় হিন্দুরা সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন। সবরকমের নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্রই হিন্দুদের উৎসবের জন্য। তাঁর ক্ষমতা আছে একটা মসজিদে ঢুকে সেখানকার মানুষদের এইভাবে ভয় দেখানোর? উনি যেটা করেছেন সেটা ক্ষমার অযোগ্য।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে ১৩ অক্টোবর যেদিন ডেপুটি কমিশনার সূরজ কুমার এবং অন্যান্য পুলিশকর্মীরা আচমকাই কাশিদির একটি মন্দিরে ভোগ বিতরণে বাধা প্রদান করতে শুরু করেন। পুজো উদ্যোক্তাদের অভিযোগ ডেপুটি কমিশনার সেখানে থাকা শরণার্থীদের অপমান করেন এবং পাশাপাশি করোনা বিধি লঙ্ঘন করার জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন।