জেএনইউ: মুখোশধারী মহিলা কোমল শর্মা, বলল পুলিশ, তাদের সদস্য, মানল এবিভিপি

22
bengali news on jnu

Highlights

  • জেএনইউ-এর মুখোশধারী মহিলা কোমল শর্মা
  • অবশেষে তাঁর নাম প্রকাশ করল দিল্লি পুলিশ
  • তাদের সদস্য, মানল এবিভিপি

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: জওহরলাল নেহরুর হিংসার ঘটনায় ভিডিও-র মুখোশে মুখ ঢাকা মহিলার নাম প্রকাশ দিল্লি পুলিশ৷ তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কোমল শর্মা৷ এবিভিপি স্বীকার করে নিয়েছে তিনি তাদের সদস্য৷ ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, ওই মহিলার পরনে চেক শার্ট, হালকা নীল স্কার্ফ নিয়ে মুখ ঢাকা৷ হাতে রড৷ তাঁকে দেখা যাচ্ছে অন্য ২ জনের সঙ্গে তিনিও সবরমতী হসেটেলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন৷

পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে৷ আকশাথ আওয়াস্থি এবং রোহিত শাহকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে৷ ৩ জনকে এখনও ধরা সম্ভব হয়নি৷ তবে চেষ্টা চলছে৷ তাঁদের ফোন সুইচ অফ৷ এবিভিপি দিল্লির রাজ্য সচিব সিদ্ধার্থ যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোমল শর্মা তাঁদের সদস্য৷

হাত লাঠি, পরনে চেক শার্ট ও প্যান্ট। মারমুখি মেজাজে সবরমতী হস্টেলে জেএনইউয়ের পড়ুয়াদের ক্রমাগত হুমকি দিয়ে চলেছেন নীল ওড়নায় অর্ধেক মুখ ঢাকা এক মহিলা। গত ৫ জানুয়ারি রাত থেকেই ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভিডিও। কে সেই মহিলা? ইন্ডিয়া টুডে-র স্টিং অপারেশের পর দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার বিশেষ তদন্তকারী দল অবশেষে চিহ্নিত করতে পেরেছে সেই মহিলাকে। পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ওই মহিলা। তবে আগে তদন্তের স্বার্থে তাঁর নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি পুলিশ। পরে তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়৷ জানা গিয়েছে, আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির সদস্য তিনি৷

দিল্লি পুলিশের এক উচ্চ পদাধিকারী বলেন, ‘ভিডিও দেখে ওই মহিলাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি নর্থ ক্যাম্পাস এলাকায় থাকেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে সেখানে যাওয়া হলেও মহিলা তখন বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর ফোনও বন্ধ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা তাঁকে আইনি নোটিস পাঠাব।’ গত শুক্রবরাই দিল্লি পুলিশের ডিসিপি জয় তিরকের নেতৃত্বাধীন বিশেষ তদন্তকারী দল ৫ই জানুয়ারি জেএনইউতে হামলায় আট সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে ছয় জন-ই বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই, এআইএসএ, এআইএসএফ এবং ডিএসএফের সদস্য। বাকি দু’জন এবিভিপির সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ এদের কারোরই নাম প্রকাশ করেনি।

গত ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে মধ্যে মুখোশধারীদের হাতে আক্রান্ত হন আন্দোলকারী পড়ুয়া ও অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। সবরমতী ও পেরিয়ার হস্টেলে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একদল মুখোশধারীরা। জখম হন জেএনইউএসইউয়ের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ সহ মোট ৩৪ জন পড়ুয়া। ভাঙচুর চলে হস্টেলগুলোতে। তারপরই ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি হাতে ওড়নায় অর্ধেক মুখ ঢাকা এক মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের শাসাচ্ছেন। কখনও লাঠি উঁচিয়ে হুমকিও দিচ্ছেন। বাম ছাত্র সংগঠনগুলি এই ভিডিওটি ভাইরাল করে দেয়।