ভারতে সিঙ্গল ডোজ করোনা ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমোদন চাইল জনসন অ্যান্ড জনসন

7

মহানগর ডেস্ক: দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক আকার ধারণ করেছে।  এই পরিস্থিতি ওষুধ সংস্থা জনসন অ্যান্ড জনসন সিঙ্গেল ডোজ করোনা ভ্যাকসিনের টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি চাইল। সংস্থাটি টিকা আমদানি লাইসেন্সের জন্যেও অনুমতি চেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি টিকা করণে গতি আনতে রাশিয়ার স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনকে ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গিয়েছে, জনসন অ্যান্ড জনসন অনুমোদনের আর্জি জানিয়েছিল। কিন্তু জটিলতার কারণে ফের আর্জি জানানো হয়েছে।  যদিও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। তারপরেও কেন্দ্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ করোনার টিকা নিতে পারবেন। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরাসরি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থার কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে, দেশ জুড়ে করোনার অভাব আরও প্রকট হতে পারে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভ্যাকসিন প্রস্তুত কারক সংস্থাগুলোর সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠকে বসবেন। ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন খোলা বাজারে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো বিক্রি করতে পারবে। তবে বিক্রি করতে হবে সরকার নির্ধারিত দামেই বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। সোমবার কেন্দ্র সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দেশে লাগাম ছাড়া করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা করল দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার।  সোমবার রাত ১০টা থেকে পরের সোমবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত দিল্লিতে সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল।  দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩, ৬৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮, ৯২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫১ জনের। কেরল, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা সংক্রমণও বেড়েই চলেছে।