‘প্রথমে আমি একজন ভারতীয়, তারপর পরিচালক! সিএএ নিয়ে মুখ তো খুলবই’, অকপট কবীর

8
kolkata

Highlights

  • দেখুন ভারত স্বাধীন দেশ তাই প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব অধিকার রয়েছে
  • আমি প্রথমে একজন ভারতীয়, তারপর পরিচালক
  • মিছিলে হেঁটে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াতে নানা প্রতিবাদ করেছেন তিনি

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সিএএ নিয়ে বলিউডে একাধিক তারকা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও নানা মন্তব্যর মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্থির করেছেন। মিছিলে হেঁটে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াতে নানা প্রতিবাদ করেছেন তিনি। এই ঘটনায় পিছিয়ে ছিলেন না পরিচালক কবীর খান। শুধুমাত্র র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করা নয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়তে দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপ নিয়েও বারবার সরব হয়েছেন কবীর।

সেই বিষয় নিয়ে কবীর জানান, ”আমি প্রথমে একজন ভারতীয়, তারপর পরিচালক। এই দেশেই আমি বড় হয়েছি। দেশের সবচেয়ে বড় স্তম্ভ হল সংবিধান আর তার মূল কথাতেই রয়েছে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ। তাই ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে আমি তো কথা বলবই।” তিনি আরও জানান, ”আমি কোনও নেতা নই, একজন পাবলিক ফিগার কিংবা তারকা হওয়ার সুযোগ নিচ্ছি না। একজন ভারতীয় হিসাবে আমার মনে হয়েছে কিছু বলি। কোনও কোনও সময় বুকে ব্যাথা হয়, তখনই প্রকাশ্যে মুখ খুলি আমি। তখনই আমার মনের ভিতরে থাকা মানুষটি বেড়িয়ে আসে বাইরে। জেএনইউ ও জামিয়া এই দুই জায়গায় বেড়ে উঠেছি আমি। কিন্তু হঠাৎ করেই এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মাথাব্যাথা কেন হয়েছে বুঝতেই পারছি না। আমি জামিয়ার পড়ুয়াদের মারার ভিডিও ও ছবি দেখেছি, কীভাবে হাত তুলে বাড়ি যাচ্ছিল ওরা। তখনই আমার অন্তরের মানুষটা মারা গিয়েছে।”

কবীর আরও জানান, ”দেখুন ভারত স্বাধীন দেশ তাই প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব অধিকার রয়েছে। কী বিষয় নিয়ে ভাববে, কী বিষয় নিয়ে কথা বলবে এটা তাদের উপর ছেড়ে দিন না। গণতন্ত্রে সবাই কথা বলতে পারে, বাক স্বাধীনতা রয়েছে সকলের। সরকার আসবে আর যাবে কিন্তু দেশ একজায়গায় থেকেই যাবে। বড় বড় তারকারা মুখ খোলেননি কেন? কীসের ভয়? আমার মাথাতে এটাই আসে না যে মানুষ কীভাবে বলে মুঘলেরা রাজপুতদের থেকে ভারত ছিনিয়ে নিয়েছিল? ইতিহাস পড়লেই তো জানা যায় রাজপুতেরা নয় মুঘলরা লোধি আর খিলজিদের সরিয়ে ভারতে আসে। তখন কিন্তু ধর্মের ব্যাপার ছিল না। কিন্তু লজ্জার ব্যাপার ইতিহাস ধ্বংস করা হয়েছে। বাবর কোনওদিন বলেনি যে সে লোধিরা মুসলিম বলে তাদের বিরুদ্ধে লড়ব আমরা।”