ক্ষমতার মহিমা: বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা ৬২ অপরাধ মামলা তুলে নিল ইয়েদিউরাপ্পা সরকার

9

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকে কুমারস্বামী সরকারের পতন হয়েছে অনেকদিন হল। নিজের আসনে আপাতত শক্তপোক্ত হয়ে বসেছে বিজেপির ইয়েদিউরাপ্পা সরকার। এরপরই ধীরে ধীরে নিজেদের স্বরূপ দেখাতে শুরু করলো কর্নাটকের বিজেপি সরকার। তুমুল বিরোধিতা সত্ত্বেও নিজের রাজ্যে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা ৬২ টি অপরাধ মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। ছোট-বড় বিজেপি নেতার পাশাপাশি মামলা তুলে নেওয়া হচ্ছে বিজেপির একাধিক সাংসদ ও বিধায়কের উপর থেকে। সরকারের এহেন পদক্ষেপে রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে শাসক বিরোধীদের মধ্যে।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে, খবর কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজের নেতৃত্বাধীন এক কমিটির পরামর্শেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়ার’ সূত্রে খবর, সরকারের এহেন পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে কর্ণাটক পুলিশের আইজি, ডিজি এবং আইন বিভাগ। যদিও সেইসব বিরোধিতাকে ফুৎকারে উড়িয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল সরকার। যে সমস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এই সমস্ত মামলা সরকার তুলে নিচ্ছে তার মধ্যে রয়েছেন কর্নাটকের আইনমন্ত্রী জেসি মধুস্বামী ও পর্যটনমন্ত্রী সিটি রবির নামও। একাধিক বিধায়কের পাশাপাশি রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী বিসি বাতিলের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে দায়ের হওয়া একটি অপরাধমূলক মামলাও তুলে নিচ্ছে সরকার। গণেশ মূর্তির বিসর্জনকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর পাথর ছোড়া ও ভাংচুরের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

এর পাশাপাশি ২০১৭ সালে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এক পুলিশ আধিকারিককে আহত করেছিলেন বিজেপি সংসদ প্রতাপ সিং। ৬২ মামলা তুলে নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সেটিও। যদিও মামলা তুলে নেওয়ার এই ঘটনাকে একটি রুটিন প্রক্রিয়া আখ্যা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী জেসি মধুস্বামী। তার দাবি, ‘জনগণের সুবিধার্থেই এই মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর আগে কংগ্রেস ও জেডিএস নেতাদের বিরুদ্ধে চলা একাধিক মামলা আমরা তুলে নিয়েছি। যদিও তার মানে এটা নয়, যে ব্যাঙ্গালুরুতে হিংসার ঘটনায় যে অপরাধীরা অভিযুক্ত তাদের ছেড়ে দেব আমরা।’