Kashmir: বড়সড় নাশকতার ছক, সীমান্তের ওপার ৩০০ সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে

81

মহানগর ডেস্ক: ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে কাশ্মীর উপত্যকা (Kashmir)। সেখানে প্রতিনিয়তই সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হচ্ছে। তবে থেমে নেই ভারতীয় বাহিনীও। ইতিমধ্যেই নিকাশ করা হয়েছে বেশকিছু সন্ত্রাসবাদীদের (Terrorist)। আর গত ছয় মাসে মৃত জঙ্গিদের মধ্যে ৩৬ জন বিদেশি বলেও প্রমাণিত হয়েছে। কোথা থেকে প্রবেশ করছে অন্যান্য দেশের জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা? তারই উত্তরেরই সন্ধান করতে গিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে, শ্রীনগর থেকে ২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় মাছিল সেক্টরের এলওসি-তে ফরোয়ার্ড পোস্ট। যা ‘গৌতম পোস্ট’ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। যেখানে ঘাঁটি বানাচ্ছে জঙ্গিরা। মাথাগোঁজার ঠাঁই করে ওখানে নিজেদের সদস্যসংখ্যা বাড়াচ্ছে পাকিস্তানের আশ্রয়প্রাপ্ত জঙ্গি সংগঠনগুলো। যাদের লক্ষ্য ভূস্বর্গ দখল করা। ইতিমধ্যেই ৩০০ জন সন্ত্রাসবাদী সীমান্তের ওপারে প্রবেশের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

আরও পড়ুন: অহেতুক উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টায় ছিল কিছু মানুষ: গুজরাট দাঙ্গা মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট

নব্বইয়ের দশকের গোড়া থেকেই শ্রীনগর থেকে ২০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের অন্যতম পথ হয়ে রয়েছে। যেখান থেকে অতি সহজেই এদেশে ঢুকে পড়তে পারে পাকিস্তানের মদত পুষ্ট জঙ্গীরা। তবে ওই এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনী তরফ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও, অনুপ্রবেশ একেবারেই ঠেকানো যায় না। কোনও না কোনও ভাবে চলতেই থাকে অনুপ্রবেশ।

কেন্দ্রের পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৮ সাল থেকে এই সেক্টরের এলওসিতে ৩৫০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে। সঙ্গে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ আটকাতে গিয়ে বাহিনীর প্রায় ৮০ জন সৈন্যও শহীদ হয়েছে। ৭৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এলওসির মধ্যে ২৫ কিলোমিটার মাছিল সেক্টর। যেখানে গত ১৫ বছরে ১৫০০ টিরও বেশি অনুপ্রবেশের ঘটনা আটকানো গেছে। এই এলাকা থেকেই এখন আবার নতুন করে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বাড়ছে।

সূত্রের খবর, গত ৬ মাসে পাকিস্তানের বিভিন্ন সেক্টর থেকে ৮০-৯০ জন জঙ্গি অনুপ্রবেশে সফল হয়েছে। এদিকে গত ছ’মাসে উপত্যকায় বাহিনীর এনকাউন্টারে ১১৮ জন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে। যার মধ্যে ৩৬ জন ছিল বিদেশী। এইসব প্রমাণ হাতে আসার পর থেকেই আরও কড়াকড়ি হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এই অঞ্চলে বাহিনীর জওয়ানরা শুধুমাত্র দিন-রাত পায়ে হেঁটেই টহল দিচ্ছেন না। একই সঙ্গে থার্মাল ইমেজিং ডিভাইস, মুভমেন্ট রাডার, পিটিজেড ক্যামেরা, কোয়াডকপ্টার ইত্যাদি ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের মাধ্যমেও চলছে কড়া নজরদারি।