Home Featured MP Denied Entry To Kashmir: অকালি সাংসদকে কাশ্মীরে ঢুকতে বাধা, উঠল খালিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান

MP Denied Entry To Kashmir: অকালি সাংসদকে কাশ্মীরে ঢুকতে বাধা, উঠল খালিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান

by Mani Sankar Debnath

মহানগর ডেস্ক: সোমবার থেকে কাঠুয়া জেলার লাখানপুরে শিবির গেড়ে রয়েছেন শিরোমণি অকালি (অ) দলের সাংসদ সিমরনজিৎ মান। কিন্তু তাঁকে কাশ্মীরে (SAD MP Denied Entry To Kashmir) ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। তাদের বক্তব্য তিনি সেখানে গেলে উপত্যকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ( Law And Order Situation May Become Worse) খারাপ হয়ে যেতে পারে। অগত্যা গতকাল রাতে পঞ্জাব সীমান্ত কাশ্মীরে ঢোকার মুখে লাখানপুরে কাটালেন মান ও তাঁর সমর্থকরা। উপত্যকায় তাঁকে ঢুকতে না দেওয়ায় বিক্ষোভ প্রতিবাদ জানানোর সময় সমর্থকরা খালিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান (Khalistan Jindabad Slogan) দিতে শুরু করে।

সেই ভিডিও চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কাঠুয়া জেলাশাসক রাহুল পাণ্ডের নির্দেশে লাখানপুর থেকে আর এক পা-ও এগোতে পারেননি সিমরনজিৎ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাখানপুরে একশো চুয়াল্লিশ ধারা জারি করে প্রশাসন। কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওরের অধীনে জারি করা জেলাশাসকের নির্দেশে রয়েছে এসএসপি তাঁকে জানিয়েছেন সাঙ্গুরের সাংসদ সিমরনজিৎ জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়ার কথা। তিনি সেখানে গেলে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। তাঁর উপস্থিতি শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে কথা কাটাকাটির পর সাংসদ জানতে চান ঠিক কীকারণে তাঁকে জম্মু-কাশ্মীরে যেতে হচ্ছে না। এবং নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করারও হুমকি দেন এবং পুলিশ অফিসারদের তাঁকে গ্রেফতার করতে বলেন। জম্মু-কাশ্মীরের ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের এমন আচরণের জন্য বিজেপির সমালোচনা করেন সাঙ্গুরের সাংসদ।

সিমরনজিৎ বলেন, তিনি যেহেতু একজন শিখ তাই বিজেপি ও আরএসএস তাঁকে উপত্যকায় ঢুকতে দিতে চাইছে না। সংবাদমাধ্যমকে সাংসদ বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে আইন বলে কিছু নেই। ওই রাজ্য সামরিক শাসনে রয়েছে। গণতন্ত্রের কোনও চিহ্ন নেই। তিনি সেখানে যেতে চান তিনশো সত্তর ধারা বিলোপের পর সেখানকার অবস্থা নিজের চোখে দেখার জন্য। তিনি বাইরের বিশ্বের কাছে এখানকার আসল ছবিটা তুলে ধরতে চান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সিমরন জিতের প্রচুর সদস্য প্রতিবাদস্থলে যোগ দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে লাখানপুরে নিরাপত্তা আঁটোসাটো করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।

You may also like